Dhaka 6:56 pm, Saturday, 17 October 2026
সর্বশেষ
সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতিবিদরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখায় বিকৃত হয়েছে : স্পিকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে বলে দেশ-বিদেশে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, কিছু বিষয়ে অসন্তোষ মিরপুরের দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, শুনলেন পথচারীদের কথা ল্যাপটপ পাচ্ছে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুই আবেদন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অভিযান, স্বর্ণবার-ল্যাপটপসহ ৩ কোটি টাকার পণ্য জব্দ ১৪ বছরে সর্বনিম্নে স্মার্টফোন সরবরাহ, কমেছে ২০ শতাংশ

হরমুজ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে মাঠে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয় : ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : 03:48:18 am, Saturday, 18 April 2026
  • / 139 Time View

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এর পর থেকে হরমুজ ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে মাঠে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়।এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। কারণ সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ নিয়ে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।গতকাল শুক্রবার ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং দপ্তর হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল ও লেবানন চুক্তি স্বাক্ষরের পর এই যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈদয় আব্বাস আরগাচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় নিশ্চিত করেন এ তথ্য।সৈয়দ আরাগচি এই বার্তা দেওয়া কয়েক ঘণ্টা পর এক্সে বার্তা পোস্ট করেন ঘালিবাফ। সেখানে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখে— তাহলে হরমুজ বেশি দিন উন্মুক্ত থাকবে না। এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত নির্ধারিত পথ অনুযায়ী এবং ইরানের অনুমোদনক্রমে পরিচালিত হবে।”এক্সপোস্টে ঘালিবাফ আরও বলেন, “আর হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না-কি বন্ধ— সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই মাঠে গ্রহণ করতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়।”ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে বিরতির তৃতীয় দিনে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা। সেই সংলাপে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাঘের ঘালিবাফ এবং মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স।কিন্তু টানা ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ায় ১২ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি ও ইরানের সমুদ্র বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। এক বার্তায় সেন্টকোমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অবরোধ জারির পর কোনো বিদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের কোনো বন্দরে যেতে পারবে না, ইরানের কোনো জাহাজও বন্দর ত্যাগ করতে পারবে না। সেই অবরোধ এখনও প্রত্যাহার করেনি সেন্টকোম।সূত্র : এএফপি, দ্য হিল

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হরমুজ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে মাঠে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয় : ইরান

Update Time : 03:48:18 am, Saturday, 18 April 2026

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এর পর থেকে হরমুজ ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে মাঠে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়।এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। কারণ সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ নিয়ে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।গতকাল শুক্রবার ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং দপ্তর হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল ও লেবানন চুক্তি স্বাক্ষরের পর এই যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈদয় আব্বাস আরগাচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় নিশ্চিত করেন এ তথ্য।সৈয়দ আরাগচি এই বার্তা দেওয়া কয়েক ঘণ্টা পর এক্সে বার্তা পোস্ট করেন ঘালিবাফ। সেখানে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখে— তাহলে হরমুজ বেশি দিন উন্মুক্ত থাকবে না। এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত নির্ধারিত পথ অনুযায়ী এবং ইরানের অনুমোদনক্রমে পরিচালিত হবে।”এক্সপোস্টে ঘালিবাফ আরও বলেন, “আর হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না-কি বন্ধ— সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই মাঠে গ্রহণ করতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়।”ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে বিরতির তৃতীয় দিনে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা। সেই সংলাপে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাঘের ঘালিবাফ এবং মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স।কিন্তু টানা ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ায় ১২ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি ও ইরানের সমুদ্র বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। এক বার্তায় সেন্টকোমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অবরোধ জারির পর কোনো বিদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের কোনো বন্দরে যেতে পারবে না, ইরানের কোনো জাহাজও বন্দর ত্যাগ করতে পারবে না। সেই অবরোধ এখনও প্রত্যাহার করেনি সেন্টকোম।সূত্র : এএফপি, দ্য হিল

এসকাগজ/আরডি