Dhaka 3:34 am, Thursday, 16 April 2026
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ

বর্ণিল আয়োজনে রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ

সময়ের কাগজ ডেস্ক :
  • Update Time : 05:54:58 am, Tuesday, 14 April 2026
  • / 42 Time View

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ। স্বাগত ১৪৩৩। বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নতুন বছর বরণ করছে পুরো জাতি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে রমনা বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন।পহেলা বৈশাখ মানেই একসময় ছিল হালখাতার মৌসুম। ডিজিটাল বাংলাদেশে সেই পরিবেশ এখন নেই বললেই চলে। তবে বৈশাখী বার্তায় আবাহন চলে নতুনের। প্রাণ-প্রকৃতিও নেচে ওঠে একই সুরে। দেশ ও দশের কল্যাণের প্রত্যাশায় সাধারণ মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস আর ভালো লাগার কমতি নেইসকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা, যেখানে লোকঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে ধারণ করে বৃহৎ পরিসরে সর্বজনীন অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোভাযাত্রার থিম ও মোটিফে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি। বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে নির্মিত বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে দেবে এক অনন্য মাত্রা। এই শোভাযাত্রার মূল বার্তা—অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর পথে যাত্রা।এবারের শোভাযাত্রায় ‘মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া’—এই পাঁচটি মোটিফ বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীর অনুষঙ্গ। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রার আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এতে অংশ নেবে ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।দিনটি ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর বাইরেও জেলায় জেলায় চলছে বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ

বর্ণিল আয়োজনে রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ

Update Time : 05:54:58 am, Tuesday, 14 April 2026

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ। স্বাগত ১৪৩৩। বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নতুন বছর বরণ করছে পুরো জাতি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে রমনা বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন।পহেলা বৈশাখ মানেই একসময় ছিল হালখাতার মৌসুম। ডিজিটাল বাংলাদেশে সেই পরিবেশ এখন নেই বললেই চলে। তবে বৈশাখী বার্তায় আবাহন চলে নতুনের। প্রাণ-প্রকৃতিও নেচে ওঠে একই সুরে। দেশ ও দশের কল্যাণের প্রত্যাশায় সাধারণ মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস আর ভালো লাগার কমতি নেইসকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা, যেখানে লোকঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে ধারণ করে বৃহৎ পরিসরে সর্বজনীন অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোভাযাত্রার থিম ও মোটিফে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি। বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে নির্মিত বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে দেবে এক অনন্য মাত্রা। এই শোভাযাত্রার মূল বার্তা—অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর পথে যাত্রা।এবারের শোভাযাত্রায় ‘মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া’—এই পাঁচটি মোটিফ বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীর অনুষঙ্গ। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রার আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এতে অংশ নেবে ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।দিনটি ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর বাইরেও জেলায় জেলায় চলছে বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন।

এসকাগজ/আরডি