Dhaka 9:12 am, Wednesday, 10 December 2025
সর্বশেষ
‘আমি মেসি হতে চাই না’ খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে তারেক রহমান ভোটার হননি, আবেদন সাপেক্ষে ভোট দিতে ও প্রার্থী হতে পারবেন : ইসি সচিব খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের: মাহদী আমিন খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় ড্র অনুষ্ঠানে থাকছে না ইরান বিপিএলের নিলাম : দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কে কোন ক্যাটাগরিতে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি দুই দিনে শেষ টেস্ট, উইকেটকে ‘খুব ভালো’ বললো আইসিসি নোয়াখালীতেই চূড়ান্ত পর্ব

অন্য দেশের ‘সরকার বদলের’ মার্কিন নীতির সমাপ্তি হয়েছে: তুলসী গ্যাবার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : 02:59:59 pm, Sunday, 2 November 2025
  • / 72 Time View

কোনো দেশের সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি মেনে আসছিল, তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে বলে দাবি তার।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থার আয়োজনে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ‘মানামা ডায়ালগ’ নিরাপত্তা সামিটের আগে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর বার্তা সংস্থা এপি’র।

প্রতিবেদনে এপি জানিয়েছে, তুলসীর এই মন্তব্য ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সফরকালের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি। তবে তুলসী মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নীতি এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘দশক ধরে আমাদের বৈদেশিক নীতি— রিজিম চেইঞ্জ বা রাষ্ট্র গঠনের—এক ধরনের ব্যর্থ চক্রে আটকে ছিল। এটি ছিল একমাত্রিক ও একরূপ নীতি।’

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক বলেন, শাসক পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে। এমন নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়, অগণিত প্রাণহানি এবং অনেক ক্ষেত্রে বৃহত্তর নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হয়েছে।

তুলসীর এই মূল্যায়ন ট্রাম্পের নিজস্ব ভাবনার সঙ্গে মিলে যায়, যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে প্রতিফলিত হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়েছিল। যা বাইডেন প্রশাসনের সময়ে ২০২১ সালে বিশৃঙ্খলভাবে শেষ হয়। এছাড়া, তিনি সিরিয়ার সাময়িক প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারাকে গ্রহণ করেছেন।

তবে গ্যাবার্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ আমেরিকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, মাদকবহনের অভিযোগ তুলে জাহাজে হামলা এবং ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অন্য দেশের ‘সরকার বদলের’ মার্কিন নীতির সমাপ্তি হয়েছে: তুলসী গ্যাবার্ড

Update Time : 02:59:59 pm, Sunday, 2 November 2025

কোনো দেশের সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি মেনে আসছিল, তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে বলে দাবি তার।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থার আয়োজনে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ‘মানামা ডায়ালগ’ নিরাপত্তা সামিটের আগে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর বার্তা সংস্থা এপি’র।

প্রতিবেদনে এপি জানিয়েছে, তুলসীর এই মন্তব্য ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সফরকালের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি। তবে তুলসী মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নীতি এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘দশক ধরে আমাদের বৈদেশিক নীতি— রিজিম চেইঞ্জ বা রাষ্ট্র গঠনের—এক ধরনের ব্যর্থ চক্রে আটকে ছিল। এটি ছিল একমাত্রিক ও একরূপ নীতি।’

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক বলেন, শাসক পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে। এমন নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়, অগণিত প্রাণহানি এবং অনেক ক্ষেত্রে বৃহত্তর নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হয়েছে।

তুলসীর এই মূল্যায়ন ট্রাম্পের নিজস্ব ভাবনার সঙ্গে মিলে যায়, যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে প্রতিফলিত হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়েছিল। যা বাইডেন প্রশাসনের সময়ে ২০২১ সালে বিশৃঙ্খলভাবে শেষ হয়। এছাড়া, তিনি সিরিয়ার সাময়িক প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারাকে গ্রহণ করেছেন।

তবে গ্যাবার্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ আমেরিকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, মাদকবহনের অভিযোগ তুলে জাহাজে হামলা এবং ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর বিষয়ে মন্তব্য করেননি।