Dhaka 9:33 pm, Sunday, 20 September 2026
সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন, তালিকায় যারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আমানুল্লাহর সাক্ষাৎ হামের টিকা পাচ্ছে ৩৪ লাখ শিশু, বিশেষ কার্যক্রম শুরু ২৬ সেপ্টেম্বর উপকূলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ইতালির কম্পানিকে আমন্ত্রণ স্পিকারের দফায় দফায় হুতি হামলা, সৌদির নিরাপত্তায় সমর্থন জানাল তুরস্ক জাপানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ঢাবি প্রো-উপাচার্যের মতবিনিময় কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে এখন অর্থনীতিই বড় ভূরাজনৈতিক হাতিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আরো একজন গ্রেপ্তার, অপরাধ স্বীকার প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি, বৈঠক করবেন বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে

২০২৯ সালে ৬ লেনের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ শেষের লক্ষ্য : সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:01:18 pm, Saturday, 19 September 2026
  • / 9 Time View

২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণকাজসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক। এটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ছয় মাসে নেওয়া উদ্যোগের ফলে প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মোট ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৮টির কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে। তবে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এসব ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে কাজের গতি বাড়ানো হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন শুধু একটি সড়ক অবকাঠামো প্রকল্প নয়। দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, পর্যটন ও আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ আরো দ্রুত ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতিশীল হবে।

নির্মাণকাজ চলমান থাকায় মহাসড়কের কিছু অংশে সাময়িক জনদুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি প্রকল্পের নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা এবং সড়ক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেন। যেসব অংশে কাজের গতি কম, সেসব অংশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

দিনব্যাপী সফরে মন্ত্রী সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাঁচপুর-নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং নির্মাণকাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

২০২৯ সালে ৬ লেনের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ শেষের লক্ষ্য : সড়কমন্ত্রী

Update Time : 01:01:18 pm, Saturday, 19 September 2026

২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণকাজসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক। এটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ছয় মাসে নেওয়া উদ্যোগের ফলে প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মোট ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৮টির কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে। তবে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এসব ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে কাজের গতি বাড়ানো হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন শুধু একটি সড়ক অবকাঠামো প্রকল্প নয়। দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, পর্যটন ও আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ আরো দ্রুত ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতিশীল হবে।

নির্মাণকাজ চলমান থাকায় মহাসড়কের কিছু অংশে সাময়িক জনদুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি প্রকল্পের নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা এবং সড়ক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেন। যেসব অংশে কাজের গতি কম, সেসব অংশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

দিনব্যাপী সফরে মন্ত্রী সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাঁচপুর-নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং নির্মাণকাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।