Dhaka 8:54 pm, Thursday, 10 September 2026

মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 02:31:23 pm, Thursday, 10 September 2026
  • / 2 Time View

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে নেওয়া ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’কে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাহিনীর তৃণমূলভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ককে দেশের উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে আরো কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে সঞ্জীবন প্লাটুনের সদস্যদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে সম্পৃক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

২০২৬ সালের শুরু থেকে উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে ‘সঞ্জীবন প্লাটুন’ গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো আনসার-ভিডিপির সদস্যদের দক্ষ, কর্মমুখী ও স্বাবলম্বী করে তোলা এবং চাকরিনির্ভরতা কমানো।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে সদস্যরা উন্নত জাতের গাভি, ছাগল, ভেড়া ও গাড়ল পালন এবং পোলট্রি খামার গড়ে তুলতে পারেন। একইভাবে মাছ চাষ, সমন্বিত মৎস্য চাষ ও মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগেও তাদের সম্পৃক্ত করা সম্ভব। এ জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উৎপাদন উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ ও বাজারসংযোগের সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে উদ্যোক্তা ঋণের সুযোগ তৈরির বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

 প্রায় ৬০ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্যের পরিবারকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনা

Update Time : 02:31:23 pm, Thursday, 10 September 2026

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে নেওয়া ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’কে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাহিনীর তৃণমূলভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ককে দেশের উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে আরো কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে সঞ্জীবন প্লাটুনের সদস্যদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থানে সম্পৃক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

২০২৬ সালের শুরু থেকে উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে ‘সঞ্জীবন প্লাটুন’ গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো আনসার-ভিডিপির সদস্যদের দক্ষ, কর্মমুখী ও স্বাবলম্বী করে তোলা এবং চাকরিনির্ভরতা কমানো।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে সদস্যরা উন্নত জাতের গাভি, ছাগল, ভেড়া ও গাড়ল পালন এবং পোলট্রি খামার গড়ে তুলতে পারেন। একইভাবে মাছ চাষ, সমন্বিত মৎস্য চাষ ও মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগেও তাদের সম্পৃক্ত করা সম্ভব। এ জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উৎপাদন উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ ও বাজারসংযোগের সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে উদ্যোক্তা ঋণের সুযোগ তৈরির বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

 প্রায় ৬০ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্যের পরিবারকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।