পবিত্র জুমার দিনের আমল ও করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
- Update Time : 04:33:50 am, Friday, 22 May 2026
- / 30 Time View
মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ দিন হলো জুমার দিন। ইসলামে এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এদিন বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগি ও আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।
ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী, জুমার দিন গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, সুগন্ধি ব্যবহার এবং উত্তম পোশাক পরিধান করা সুন্নত। এছাড়া জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আগে থেকেই মসজিদে উপস্থিত হওয়াকে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলেমরা বলেন, জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ, কুরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ করে সূরা কাহফ পাঠ করার গুরুত্ব রয়েছে। হাদিসে বর্ণিত আছে, জুমার দিন সূরা কাহফ পাঠ করলে এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত নূরের ব্যবস্থা হয়।
জুমার খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনা ও খুতবার সময় অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে বিরত থাকাও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। এছাড়া আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে বলে ইসলামী সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।
ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, জুমার দিন শুধু নামাজ আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ইবাদত বৃদ্ধি এবং সামাজিক সৌহার্দ্য গঠনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনের আমল যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল:
জুমার আগে গোসল করা
মিসওয়াক বা দাঁত পরিষ্কার করা
পরিষ্কার ও সুন্দর পোশাক পরিধান করা
সুগন্ধি ব্যবহার করা
তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া
সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা
বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা
খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার করা
গরিব-দুঃখীদের দান-সদকা করা
আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া
ইসলামিক চিন্তাবিদরা বলেন, জুমার দিনের এসব আমল মানুষের আত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধি করে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভে সহায়তা করে।
এসকাগজ/আরডি
















