Dhaka 11:16 am, Monday, 25 May 2026

জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সময়ের কাগজ ডেস্ক
  • Update Time : 08:11:37 am, Tuesday, 7 April 2026
  • / 85 Time View

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানি মন্ত্রী আরও জানান, মজুত থাকা জ্বালানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ডিজেল—১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন। এছাড়া অকটেনের মজুত রয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টন এবং পেট্রোল ১৬ হাজার টন।জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে। অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত এক মাসে অভিযানে ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের একটি নিয়ম রয়েছে, যা প্রতি মাসে পর্যালোচনা করা হয়। প্রয়োজন হলে কেবিনেট বৈঠকে আলোচনা করে তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে: জ্বালানি মন্ত্রী

Update Time : 08:11:37 am, Tuesday, 7 April 2026

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানি মন্ত্রী আরও জানান, মজুত থাকা জ্বালানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ডিজেল—১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন। এছাড়া অকটেনের মজুত রয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টন এবং পেট্রোল ১৬ হাজার টন।জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে। অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত এক মাসে অভিযানে ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের একটি নিয়ম রয়েছে, যা প্রতি মাসে পর্যালোচনা করা হয়। প্রয়োজন হলে কেবিনেট বৈঠকে আলোচনা করে তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এসকাগজ/আরডি