অভিভাবকদের আপত্তি গ্রাহ্য করেননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা : আওয়ামী লীগ নেতাকে সভাপতি পদে মনোনয়নের সুপারিশ
- Update Time : 08:29:29 am, Tuesday, 22 September 2026
- / 43 Time View
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফরিদপুরের বোয়ালমারীর কাজী সিরাজুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা, রাখালগাছি-এর অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদে মো. আব্দুর রউফ খানকে মনোনয়নের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রাকিবুল হাসানের সুপারিশ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, আব্দুর রউফ খানের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির বিরোধিতা, অভিভাবকের স্বাক্ষর জাল করে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ এবং দাতা সদস্য হিসেবে নিজের নাম অন্তর্ভুক্তির অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, দাতা সদস্য সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে পরবর্তীতে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার প্রমাণপত্রও অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, আব্দুর রউফ খান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ছিলেন। যার প্রমাণপত্র হিসাবে উক্ত সময়ের একটি পোস্টার সংযুক্ত করা হয়েছে। এসব অভিযোগ উল্লেখ করে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ইউএনওর কাছে লিখিত আপত্তি দেওয়ার পরও তাঁকে সভাপতি পদে সুপারিশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।
অভিভাবকদের প্রশ্ন, লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট নথি থাকা অবস্থায় বিষয়গুলো যাচাই না করে কেন তাঁকে সভাপতি পদে সুপারিশ করা হলো। তাঁরা সুপারিশ পুনর্বিবেচনা এবং অভিযোগগুলোর সংযুক্তি ও তদন্ত প্রমাণ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে সভাপতি পদে মনোনয়ন না দেয়ার জন্য জোর দাবি করেছেন। এক্ষেত্রে উক্ত সভাপতির তালিকায় আরো দুইজন হেভি ওয়েট ব্যক্তি থাকার পরও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেন এরূপ প্রতিষ্ঠান বিরোধী এবং জালিয়াতির সাথে সম্পর্কযুক্ত স্বার্থন্বেষী ব্যক্তিকে সুপারিশ করলেন এ বিষয়ে সাধারণ জনগণ ঐ ইউএনও কে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, আব্দুর রউফ খান এর বিরুদ্ধে ইউএনও ছাড়াও মাদ্রাসার সুপার, জেলা প্রশাসক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রমাণপত্র সংযুক্তি সহ অভিযোগের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রাকিবুল হাসানের সঙ্গে মোবাইলে এ প্রতিবেদক কথা বলতে চাইলে তিনি কোন মতামত জানাতে অস্বীকৃতি জানান।









