Dhaka 6:37 pm, Wednesday, 9 September 2026
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে : প্রধানমন্ত্রী ওজন মেশিনে কারচুপি, ইলিশ বিক্রেতাকে লাখ টাকা জরিমানা ঢাবি আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৭ লাখ টাকার ট্রাস্ট ফান্ড গঠন বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগে ঘুরছে অটোরিকশার চাকা ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের মেট্রো রেল চলাচল শুরু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নোংরা ভাষায় জবাব দেওয়া ঠিক হয়নি : রাশেদ খান আনসার সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুদ, ৪ ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড আজ নতুন আইফোন আনছে অ্যাপল, বিনা খরচে অনলাইনে দেখা যাবে অনুষ্ঠান এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

টাকা ছাপাতে এক বছরে ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 04:28:01 am, Tuesday, 8 September 2026
  • / 8 Time View

টাকার নোট ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে পুরোনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট ছাপানো হয়।

নোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য উপকরণ বিশেষায়িত ও আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হয়। দেশে নোট মুদ্রণের কাজ করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেড (এসপিসিবিএল)। 

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছিল ৩৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩৭৪ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৮৪ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নোট মুদ্রণে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ছাপানোর কাগজ ও কালি বিশেষায়িত হওয়ায় এসব উপকরণের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সীমিত। ফলে দাম নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ কম। বৈশ্বিকভাবে কাগজের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যার কারণেও এবার ব্যয় বেড়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি থাকা নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তনের কাজ চলছে। 

তবে নতুন নকশার কারণে মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে বলে মনে করেন না আরিফ হোসেন খান। তাঁর মতে, নকশা পরিবর্তনের ব্যয় খুবই কম। মূলত কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়াই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টাকা ছাপাতে এক বছরে ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি টাকা

Update Time : 04:28:01 am, Tuesday, 8 September 2026

টাকার নোট ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে পুরোনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট ছাপানো হয়।

নোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য উপকরণ বিশেষায়িত ও আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হয়। দেশে নোট মুদ্রণের কাজ করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেড (এসপিসিবিএল)। 

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছিল ৩৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩৭৪ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৮৪ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নোট মুদ্রণে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ছাপানোর কাগজ ও কালি বিশেষায়িত হওয়ায় এসব উপকরণের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সীমিত। ফলে দাম নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ কম। বৈশ্বিকভাবে কাগজের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যার কারণেও এবার ব্যয় বেড়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি থাকা নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তনের কাজ চলছে। 

তবে নতুন নকশার কারণে মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে বলে মনে করেন না আরিফ হোসেন খান। তাঁর মতে, নকশা পরিবর্তনের ব্যয় খুবই কম। মূলত কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়াই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ।