Dhaka 5:50 am, Saturday, 10 October 2026
সর্বশেষ
বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়ায় নতুন অধ্যায়, আসছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ আবাসন খাত সচলে সহজ গৃহঋণ ও নির্মাণসামগ্রীর দামে স্থিতিশীলতা জরুরি মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়-কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ৪টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করল জাপানি কনসোর্টিয়াম শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ১০ টাকা কেজিতে ২৪ ঘণ্টায় পার্সেল পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগ কপাল পুড়ল অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তীর জোনভিত্তিক রং ব্যবহারের পরিকল্পনা কতটুকু কার্যকর নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২২

আজ জাতীয় বই পড়া দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:39:28 pm, Sunday, 6 September 2026
  • / 31 Time View

বই পড়ার জন্য আলাদা একটি দিন—শুনতে কিছুটা ব্যতিক্রম মনে হলেও প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর পালিত হয় ‘ন্যাশনাল রিড আ বুক ডে’। দিনটি বই পড়ার অভ্যাসে মানুষকে উৎসাহিত করার একটি অনানুষ্ঠানিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত।

তবে দিবসটির নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার বছর কিংবা ৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

দিবসটির প্রচলন মূলত যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন observance বিষয়ক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি ২০০০-এর দশকের শেষ দিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখের একটি পরিচিত দিবস হিসেবে জায়গা করে নেয়।

কেন এই দিন
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য খুব সহজ—ব্যস্ততার মধ্যে মানুষকে কিছু সময় বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করা।

নির্দিষ্ট কোনো বই, লেখক বা সাহিত্যধারাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয় না। পছন্দের উপন্যাস, কবিতা, জীবনী, ইতিহাস, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বই নিয়ে পাঠে বসাই এ দিনের মূল ভাবনা। 

কিভাবে পালন করা যায়
দিবসটি পালনের জন্য নেই কোনো কঠোর নিয়ম। নিজের পছন্দের একটি বই নিয়ে কিছু সময় পড়া, আগে পড়া কোনো প্রিয় বই আবার পড়া, লাইব্রেরিতে যাওয়া কিংবা কাউকে বই উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা যায়।

শিশুদের বই পড়ে শোনানো, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে বই বিনিময়ও হতে পারে আয়োজনের অংশ। 

ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পছন্দ করেন এমন পাঠকরা ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমেও দিবসটি উদযাপন করতে পারেন। মূল বিষয় হলো—দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পর্দার সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটানো।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আজ জাতীয় বই পড়া দিবস

Update Time : 01:39:28 pm, Sunday, 6 September 2026

বই পড়ার জন্য আলাদা একটি দিন—শুনতে কিছুটা ব্যতিক্রম মনে হলেও প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর পালিত হয় ‘ন্যাশনাল রিড আ বুক ডে’। দিনটি বই পড়ার অভ্যাসে মানুষকে উৎসাহিত করার একটি অনানুষ্ঠানিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত।

তবে দিবসটির নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার বছর কিংবা ৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

দিবসটির প্রচলন মূলত যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন observance বিষয়ক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি ২০০০-এর দশকের শেষ দিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখের একটি পরিচিত দিবস হিসেবে জায়গা করে নেয়।

কেন এই দিন
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য খুব সহজ—ব্যস্ততার মধ্যে মানুষকে কিছু সময় বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করা।

নির্দিষ্ট কোনো বই, লেখক বা সাহিত্যধারাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয় না। পছন্দের উপন্যাস, কবিতা, জীবনী, ইতিহাস, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বই নিয়ে পাঠে বসাই এ দিনের মূল ভাবনা। 

কিভাবে পালন করা যায়
দিবসটি পালনের জন্য নেই কোনো কঠোর নিয়ম। নিজের পছন্দের একটি বই নিয়ে কিছু সময় পড়া, আগে পড়া কোনো প্রিয় বই আবার পড়া, লাইব্রেরিতে যাওয়া কিংবা কাউকে বই উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা যায়।

শিশুদের বই পড়ে শোনানো, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে বই বিনিময়ও হতে পারে আয়োজনের অংশ। 

ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পছন্দ করেন এমন পাঠকরা ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমেও দিবসটি উদযাপন করতে পারেন। মূল বিষয় হলো—দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পর্দার সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটানো।