Dhaka 10:20 pm, Sunday, 6 September 2026
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে সাংস্কৃতিক ঐক্যই সম্প্রীতির বড় শক্তি : সংস্কৃতিমন্ত্রী পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন ড. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে শিক্ষকদের সুখবর দিলেন মন্ত্রী ‘আমার সন্তান কোথায়’—জানতে চায় নিখোঁজ ৪০ শিশুর পরিবার পে স্কেল নিয়ে যা বললেন শিক্ষা সচিব জামালপুরে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার মায়ের শেষ বিদায়ে মুকুলের কান্না ছুঁয়ে গেল জানাজায় উপস্থিত সবাইকে ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ : পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতায় জোর হামাসের ভয়ে দুই ঘণ্টা নিজ বাড়িতে ছিলেন নেতানিয়াহু?

টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ১১ শিক্ষককে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 12:16:18 pm, Sunday, 6 September 2026
  • / 4 Time View

কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি প্রাইমারি স্কুলের ১১ জন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান দুটি স্কুলে তালা ঝুলছে।

এ ঘটনায় দুই স্কুলের ১১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভারপ্রাপ্ত অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ। 

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ। বিদ্যালয় দুটি হলো-টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর সাজ্জাদ ও নাসিমা আক্তার।

অভিযোগে জানা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ইচ্ছামতো স্কুলে আসা-যাওয়া করেন ও দুপুরের পর কিছু কিছু স্কুলে ক্লাস না করিয়ে ছুটি দিয়ে দিচ্ছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও সত্যতা পান এবং দুই স্কুলে তালা ঝুলতে দেখে হতবাক হন। ইউএনও এ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে এবং সশরীরে ইউএনও অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ ও দিয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময় ইউএনও সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী ও কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি এবং সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ ছিল।

যা সরকারি বিধি ভঙের শামিল। কর্তব্যকর্মে অবহেলার কারণে কেন আপনার এবং আপনার অধীনস্থ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না তার কারণ আগামী তিন কার্য দিবস মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। 

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জবাব যুক্তিযুক্তভাবে না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘অনেক সময় শিক্ষকরা নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর ছুটি দিয়ে চলে যান-এমন অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ইউএনও সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ১১ শিক্ষককে শোকজ

Update Time : 12:16:18 pm, Sunday, 6 September 2026

কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি প্রাইমারি স্কুলের ১১ জন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান দুটি স্কুলে তালা ঝুলছে।

এ ঘটনায় দুই স্কুলের ১১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভারপ্রাপ্ত অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ। 

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ। বিদ্যালয় দুটি হলো-টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর সাজ্জাদ ও নাসিমা আক্তার।

অভিযোগে জানা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ইচ্ছামতো স্কুলে আসা-যাওয়া করেন ও দুপুরের পর কিছু কিছু স্কুলে ক্লাস না করিয়ে ছুটি দিয়ে দিচ্ছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও সত্যতা পান এবং দুই স্কুলে তালা ঝুলতে দেখে হতবাক হন। ইউএনও এ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে এবং সশরীরে ইউএনও অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ ও দিয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময় ইউএনও সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী ও কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি এবং সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ ছিল।

যা সরকারি বিধি ভঙের শামিল। কর্তব্যকর্মে অবহেলার কারণে কেন আপনার এবং আপনার অধীনস্থ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না তার কারণ আগামী তিন কার্য দিবস মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। 

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জবাব যুক্তিযুক্তভাবে না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘অনেক সময় শিক্ষকরা নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর ছুটি দিয়ে চলে যান-এমন অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ইউএনও সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।