Dhaka 9:21 pm, Saturday, 5 September 2026
সর্বশেষ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি সন্তান জন্মের পর শরীর নিয়ে ট্রোলিং, মুখ খুললেন বিপাশা সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু : রিমান্ড শেষে ৩ আসামি কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ‘প্রবেশের চেষ্টা’, পুলিশের হেফাজতে যুবক ইমরানের সুচিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা চান লারাইমরানের সুচিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা চান লারা কুমিল্লায় বৃদ্ধা ছমিরনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, রহস্য উদ্ঘাটন ‘মিথ্যাচারের’ অভিযোগে এমপি হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচের আগে ইনজুরি হানা রিয়াল শিবিরে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কবে, সিদ্ধান্ত রবিবার ইন্দোনেশিয়ায় বিনা মূল্যের স্কুলের খাবার খেয়ে প্রায় ২০০০ মানুষ অসুস্থ

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগী, ক্ষোভ প্রকাশ বিমানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:47:08 pm, Saturday, 5 September 2026
  • / 3 Time View

হাসপাতালের পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ৯০০ রোগী।

সব বিছানা নিচে। একটি শিশুর বেডে তিনটি শিশু রয়েছে। পরিবেশও খুবই নোংরা। এই ভবন ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

তারপরও এখানে রোগী রাখা হচ্ছে।’ 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতাল দেখে হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নে হাত দেয়নি।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তিন যুগ পরেও একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজ প্রায় ৮৬৭ জন রোগী রয়েছে। তাদের মানবেতর অবস্থা দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমার জীবনে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।

বাংলাদেশে এরকম হাসপাতাল কোথায় আছে, তা আমার জানা নেই, থাকার কথাও নয়।’ 

মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এখনো ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। ৫০০ শয্যা ও ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করার জন্য।’

হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমার আরেকটি বিষয় সন্দেহ হয়েছে। এখানে ৭৫০ রোগীর জন্য খাবার এবং সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়। ৭৫০ বেডের টাকা সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা রোগীদের জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে।’

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা সোহানুর রহমান, জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগী, ক্ষোভ প্রকাশ বিমানমন্ত্রীর

Update Time : 01:47:08 pm, Saturday, 5 September 2026

হাসপাতালের পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ৯০০ রোগী।

সব বিছানা নিচে। একটি শিশুর বেডে তিনটি শিশু রয়েছে। পরিবেশও খুবই নোংরা। এই ভবন ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

তারপরও এখানে রোগী রাখা হচ্ছে।’ 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতাল দেখে হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নে হাত দেয়নি।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তিন যুগ পরেও একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজ প্রায় ৮৬৭ জন রোগী রয়েছে। তাদের মানবেতর অবস্থা দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমার জীবনে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।

বাংলাদেশে এরকম হাসপাতাল কোথায় আছে, তা আমার জানা নেই, থাকার কথাও নয়।’ 

মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এখনো ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। ৫০০ শয্যা ও ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করার জন্য।’

হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমার আরেকটি বিষয় সন্দেহ হয়েছে। এখানে ৭৫০ রোগীর জন্য খাবার এবং সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়। ৭৫০ বেডের টাকা সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা রোগীদের জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে।’

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা সোহানুর রহমান, জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।