২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগী, ক্ষোভ প্রকাশ বিমানমন্ত্রীর
- Update Time : 01:47:08 pm, Saturday, 5 September 2026
- / 5 Time View
হাসপাতালের পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ৯০০ রোগী।
সব বিছানা নিচে। একটি শিশুর বেডে তিনটি শিশু রয়েছে। পরিবেশও খুবই নোংরা। এই ভবন ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
তারপরও এখানে রোগী রাখা হচ্ছে।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতাল দেখে হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নে হাত দেয়নি।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তিন যুগ পরেও একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজ প্রায় ৮৬৭ জন রোগী রয়েছে। তাদের মানবেতর অবস্থা দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমার জীবনে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।
বাংলাদেশে এরকম হাসপাতাল কোথায় আছে, তা আমার জানা নেই, থাকার কথাও নয়।’
মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এখনো ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। ৫০০ শয্যা ও ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করার জন্য।’
হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমার আরেকটি বিষয় সন্দেহ হয়েছে। এখানে ৭৫০ রোগীর জন্য খাবার এবং সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়। ৭৫০ বেডের টাকা সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা রোগীদের জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে।’
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা সোহানুর রহমান, জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।