Dhaka 6:19 pm, Sunday, 16 August 2026
সর্বশেষ
রঙের খেলায় সূচনা হলো ১৬ ব্যাচের বিদায় উৎসব জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: রাষ্ট্রের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ ৮০ বছরে ভারত: দক্ষিণ এশীয় ভূরাজনীতি ও বাংলাদেশের প্রত্যাশা ভারতের সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র: বাংলাদেশের জন্য যেসব শিক্ষা ও সুযোগ প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক রোডম্যাপ বাস্তবায়নে অদৃশ্য বাধা কোথায়? ফিফা আসিয়ান কাপে ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না : নাহিদ ইসলাম ক্রেতার পছন্দ, বিক্রেতার সুযোগ—আইসিসিবিতে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বাংলাদেশকে ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা একিউআইএসের, উদ্বেগ জাতিসংঘের জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ: সময়ের দাবি

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লেখা ‘১৮৯৩’, কারণ জানেন না অনেক ভক্তই?

সময়ের কাগজ স্পোর্টস ডেস্ক :
  • Update Time : 04:08:16 pm, Wednesday, 1 July 2026
  • / 219 Time View

লিওনেল মেসির জাদুকরী বাঁ পায়ের ড্রিবলিং, দিয়েগো ম্যারাডোনার অসাধারণ দক্ষতা আর আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সির প্রেমে বুঁদ হয়ে থাকেনি, বিশ্ব ফুটবলে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। মাঠের ফুটবলে তিনতারকা খচিত এই জার্সি গায়ে দেওয়া ফুটবলাররা যেমন নিজেদের দক্ষতায় ভক্তদের বুদ করে রাখেন, তেমনি এর ডিজাইনের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকে নানা নান্দনিকতা। তবে আপনি যদি আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল জার্সিটা একটু ভালো করে লক্ষ্য করেন, তবে জার্সির পেছনে ঘাড়ের দিকটায় চোখে পড়বে একটি বিশেষ সংখ্যা—‘১৮৯৩’।হঠাৎ দেখলে মনে হতে পারে, এটি হয়তো স্রেফ কোনো সাধারণ লাকি নম্বর কিংবা ডিজাইনের খাতিরে বসানো কোনো সংখ্যা। কিন্তু ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য এই চার অঙ্কের সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে এক গৌরবময় ইতিহাসের গল্প। কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে ভক্তদের আবেগের এই জার্সিতে কেন লিখে রাখা হয়েছে আজ থেকে ১৩৩ বছর আগের এই রহস্যময় সালটি? কী এর মাহাত্ম্য?

আর্জেন্টাইন জার্সিতে ‘১৮৯৩’ সালটি ফুটিয়ে তোলার মূল কারণ হলো আলবিসেলেস্তেদের ফুটবলের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।১৮৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আলসান্দ্রো ওয়াটসন হাটন নামক একজন স্কটিশ শিক্ষকের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল ‘আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লিগ’। এই সংস্থাই কালক্রমে রূপ নিয়েছে আজকের বিশ্ব কাঁপানো ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন’ বা এএফএ (AFA)-তে।

এই ১৮৯৩ সালের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দক্ষিণ আমেরিকার (CONMEBOL) ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে পুরোনো ফুটবল ফেডারেশন হিসেবে স্বীকৃতি পায়। শুধু তা-ই নয়, ইউরোপের বাইরে গোটা বিশ্বের বুকেও এটি অন্যতম প্রাচীনতম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।ফুটবল বিশ্বে সাধারণত ট্রফি বা বড় জয়কে জার্সিতে তারকা দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়। তবে আর্জেন্টিনার জার্সির অফিশিয়াল স্পন্সর প্রতিষ্ঠান (অ্যাডিডাস) চেয়েছিল তাদের ফুটবল সংস্কৃতির শিকড়কে সম্মান জানাতে।আজ আর্জেন্টিনা ফুটবল বিশ্বকে শাসন করছে, তাদের ঘরে রয়েছে তিনটি সোনালী বিশ্বকাপ ট্রফি। কিন্তু এই মহীরুহের বীজ বোনা হয়েছিল আজ থেকে শতাব্দী প্রাচীন সেই ১৮৯৩ সালে। জার্সির গায়ে এই সালটি মূলত ফুটবলার এবং সমর্থকদের মনে করিয়ে দেয়, আর্জেন্টিনার ফুটবল কোনো সাময়িক জোয়ার নয়, বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বয়ে চলা এক গৌরবময় রক্তধারা।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লেখা ‘১৮৯৩’, কারণ জানেন না অনেক ভক্তই?

Update Time : 04:08:16 pm, Wednesday, 1 July 2026

লিওনেল মেসির জাদুকরী বাঁ পায়ের ড্রিবলিং, দিয়েগো ম্যারাডোনার অসাধারণ দক্ষতা আর আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সির প্রেমে বুঁদ হয়ে থাকেনি, বিশ্ব ফুটবলে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। মাঠের ফুটবলে তিনতারকা খচিত এই জার্সি গায়ে দেওয়া ফুটবলাররা যেমন নিজেদের দক্ষতায় ভক্তদের বুদ করে রাখেন, তেমনি এর ডিজাইনের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকে নানা নান্দনিকতা। তবে আপনি যদি আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল জার্সিটা একটু ভালো করে লক্ষ্য করেন, তবে জার্সির পেছনে ঘাড়ের দিকটায় চোখে পড়বে একটি বিশেষ সংখ্যা—‘১৮৯৩’।হঠাৎ দেখলে মনে হতে পারে, এটি হয়তো স্রেফ কোনো সাধারণ লাকি নম্বর কিংবা ডিজাইনের খাতিরে বসানো কোনো সংখ্যা। কিন্তু ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য এই চার অঙ্কের সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে এক গৌরবময় ইতিহাসের গল্প। কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে ভক্তদের আবেগের এই জার্সিতে কেন লিখে রাখা হয়েছে আজ থেকে ১৩৩ বছর আগের এই রহস্যময় সালটি? কী এর মাহাত্ম্য?

আর্জেন্টাইন জার্সিতে ‘১৮৯৩’ সালটি ফুটিয়ে তোলার মূল কারণ হলো আলবিসেলেস্তেদের ফুটবলের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।১৮৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আলসান্দ্রো ওয়াটসন হাটন নামক একজন স্কটিশ শিক্ষকের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল ‘আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লিগ’। এই সংস্থাই কালক্রমে রূপ নিয়েছে আজকের বিশ্ব কাঁপানো ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন’ বা এএফএ (AFA)-তে।

এই ১৮৯৩ সালের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দক্ষিণ আমেরিকার (CONMEBOL) ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে পুরোনো ফুটবল ফেডারেশন হিসেবে স্বীকৃতি পায়। শুধু তা-ই নয়, ইউরোপের বাইরে গোটা বিশ্বের বুকেও এটি অন্যতম প্রাচীনতম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।ফুটবল বিশ্বে সাধারণত ট্রফি বা বড় জয়কে জার্সিতে তারকা দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়। তবে আর্জেন্টিনার জার্সির অফিশিয়াল স্পন্সর প্রতিষ্ঠান (অ্যাডিডাস) চেয়েছিল তাদের ফুটবল সংস্কৃতির শিকড়কে সম্মান জানাতে।আজ আর্জেন্টিনা ফুটবল বিশ্বকে শাসন করছে, তাদের ঘরে রয়েছে তিনটি সোনালী বিশ্বকাপ ট্রফি। কিন্তু এই মহীরুহের বীজ বোনা হয়েছিল আজ থেকে শতাব্দী প্রাচীন সেই ১৮৯৩ সালে। জার্সির গায়ে এই সালটি মূলত ফুটবলার এবং সমর্থকদের মনে করিয়ে দেয়, আর্জেন্টিনার ফুটবল কোনো সাময়িক জোয়ার নয়, বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বয়ে চলা এক গৌরবময় রক্তধারা।

এসকাগজ/আরডি