Dhaka 12:25 am, Sunday, 19 July 2026
সর্বশেষ
স্বাধীনতার ইতিহাসে আপসের কোনো জায়গা নেই গণমাধ্যম ও উদ্যোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী অবশেষে ১৯ জুলাই প্রথম বর্ষের ক্লাস নোবিপ্রবিতে, দেড় হাজার নবীনের প্রতীক্ষার অবসান ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা’ নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের ৭০তম সভা অনুষ্ঠিত, নতুন দুই সংসদ সদস্যকে বরণ বিল উন্মুক্ত ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরারব আবেদন পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী নোবিপ্রবিতে সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আজ আপনি মন্ত্রী: হাসনাত আবদুল্লাহ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সংসদের সামনে শিক্ষার্থীরা

নবম পে স্কেল নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা!

সময়ের কাগজ ডেস্ক :
  • Update Time : 04:36:33 pm, Monday, 8 June 2026
  • / 85 Time View

২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় এক যুগ পরও নবম পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় চাকরিজীবীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকায় উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও জুন মাসের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ফলে নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে উৎকণ্ঠাও। এখন তাদের দৃষ্টি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ নানা প্রস্তাবনার খবর প্রকাশ পেলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।তাদের দাবি, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু করা হলে তা আংশিকভাবে নয়, একবারেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই মনে করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে তা কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা এবং অস্পষ্টতা তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নবম পে স্কেল নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা!

Update Time : 04:36:33 pm, Monday, 8 June 2026

২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় এক যুগ পরও নবম পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় চাকরিজীবীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকায় উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও জুন মাসের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ফলে নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে উৎকণ্ঠাও। এখন তাদের দৃষ্টি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ নানা প্রস্তাবনার খবর প্রকাশ পেলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।তাদের দাবি, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু করা হলে তা আংশিকভাবে নয়, একবারেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই মনে করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে তা কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা এবং অস্পষ্টতা তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

এসকাগজ/আরডি