কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ফিলিপনগরের শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতা জামিল মালিথা গ্রেফতার।।
- Update Time : 03:10:33 pm, Saturday, 25 October 2025
- / 126 Time View
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম জামিল মালিথা (৪০) কে অস্ত্র, গুলি ও হিরোইন(মাদক) সহ গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া মিরপুর ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ অভিযানিক দল।শুক্রবার (২৪ অক্টোবর ২০২৫) রাতে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের আবেদের ঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত জামিল মালিথা ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর মালিথাপাড়া গ্রামের মৃত জালাল মালিথার বড় ছেলে।
তিনি রাজনৈতিকভাবে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার প্যানেলের যুবদল নেতা হিসেবে পরিচিত।বিজিবি সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক আমদানি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন জামিল মালিথা।পদ্মা নদী সংলগ্ন সীমান্ত এলাকা হওয়ায় তিনি স্থানীয় ও সীমান্তপারের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই অবৈধ মাদক হিরোইন ও অস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ দল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে জামিল মালিথাকে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় তার হেফাজত থেকে প্রচুর পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য(হিরোইন) ও আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করে।কুষ্টিয়া জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্র ও স্থানীয় সু-শীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গদের কাছ থেকে আরও জানা গেছে,জামিল মালিথা দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার ছেলে শিশির মোল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী।শিশির মোল্লার নেতৃত্বাধীন অস্ত্র ও মাদক আমদানি সিন্ডিকেটের অন্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে,জামিল মালিথা ফিলিপনগর, চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নসহ পদ্মা নদী সংলগ্ন চরাঞ্চলজুড়ে মাদক( ন্সিডিল,হিরোইন) ও অস্ত্র ব্যবসার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন।তবে গত ৫-ই-আগষ্ট-২০২৪ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরই,আবেদের ঘাট এলাকাতে, টিন বাড়িয়ে জনগনকে জানান দেন,সে বাহিরমাদী,জিরোপয়েন্ট, ও আবেদের ঘাট মালিক।কিন্তু সরকারের ইজারাপ্রাপ্ত মুল ঘাটমালিকের কাছ থেকে জবরদখল করে জামিল সহ তার সিন্ডিকেট ঘাট নিয়ন্ত্রণ করে ও মধ্য নদী চরাঞ্চল ইউনিয়ন চিলমারীর লোকজনদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি,জমিদখল,গরুলুট সহ মাদক ও অস্ত্র ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন।পরে পুনরায় সরকারিভাবে জামিল মালিথা তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীদের ক্ষমতা অপব্যবহার করে এবং তাঁর পৃষ্ঠপোষকদের সহায়তায় এককভাবে ঘাটের ইজারা পাই।তবে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মিরপুর ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন,গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জামিল মালিথাকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।অবৈধ মাদক (হিরোইন) ও অস্ত্র নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে জামিলের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানাতে মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার মামলা নম্বর-৪১,ধারা-১৯৭৮ সালের আর্মস এ্যাক্ট এর A/19(f) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রিন আইন ২০১৮ সালের ৩৬(১),সারনি ৮(গ) ধারা।উল্লেখিত বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,দীর্ঘদিন ধরে জেলার সকল ইউনিটের গোয়েন্দা নজরদারি পর জামিলকে গ্রেফতার করেছে বিজিবি,মামলা হয়েছে।চরাঞ্চলের অস্ত্র,মাদক,ডাকাতি সহ সকল অপকর্মে জড়িতদের বিষয়ে কাজ অব্যাহত রয়েছে,অপরাধী যেই হোক,কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।















