জামায়াত-এনসিপির আশকারায় আওয়ামী দোসররা সক্রিয় হচ্ছে
- Update Time : 11:09:11 am, Tuesday, 29 September 2026
- / 8 Time View
পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি, এমন অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা (জামায়াত-এনসিপি) গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকেও নরমালাইজ করছে।
রাশেদ খান বলেন, ‘এত বড় গণহত্যার পরেও কেন আওয়ামী লীগ ফিরে আসার সাহস দেখাচ্ছে? এর মূল কারণটা বর্তমান বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রকে অশান্ত করার ঠিকাদারি গ্রহণ করেছে। লং মার্চ থেকে ডিসেম্বরে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘মাশরাফি বিন মর্তুজা গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কোনো পোস্ট করেননি, ২০২৬ সালে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন! ২০২৪ ও ২০২৫ সাল পর্যন্ত যেসব আওয়ামী দোসররা চুপচাপ ছিল, তারা এখন সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
২০২৪ ও ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকে নীরব থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তারা আবার সক্রিয় হতে শুরু করেছেন বলে অভিযোগ রাশেদ খানের। এ জন্য তিনি জামায়াত ও এনসিপিকে পরোক্ষভাবে দায়ী করেছেন।
বিরোধী দলের লং মার্চ ও ডিসেম্বরে এক দফার হুঁশিয়ারির প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ‘বিরোধী দলের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়ে বাসে-ট্রেনে আগুন দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও ঝটিকা মিছিল শুরু করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। জামায়াত-এনসিপি আওয়ামী লীগের আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে বলছে, ১১ দলের দাবি মানলে আর ককটেল ফুটবে না! এভাবে জামায়াত-এনসিপির আশকারায় প্রশাসন থেকে শুরু করে যেসব জায়গায় আওয়ামী দোসররা ঘাপটি মেরে বসে ছিল, তারা বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক ও নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলার প্রসঙ্গও স্ট্যাটাসে তুলে ধরেন রাশেদ খান। এগুলোকে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যে কোনো দল ক্ষমতায় গেলে, দলের মধ্যে অসংখ্য সুবিধাবাদী লোকজনের অনুপ্রবেশ ঘটে। রাড্ডা ক্লিনিকে সেরকম কিছু সুবিধাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিখুঁতভাবে একটি ষড়যন্ত্রমূলক প্ল্যান বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
