Dhaka 8:44 pm, Sunday, 27 September 2026

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি বাসদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 06:22:13 am, Sunday, 27 September 2026
  • / 8 Time View

কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এ দাবি জানান।

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কার্যালয়ে দলীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে মব সন্ত্রাস বলে আখ্যায়িত করে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি। 

বিবৃতিতে ফিরোজ বলেন, মিছিল, মিটিং, সমাবেশ করা নাগরিকের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। গণতন্ত্রের মূল কথা হলো সহনশীলতা ও পরমত সহিষ্ণুতা। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর এখন দেশে একটি নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

পতিত স্বৈরাচারী সরকার নানা ট্যাগ দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ পণ্ড করত এবং গ্রেপ্তার করত। কিন্তু বর্তমান সরকারের কাছে একই ধরনের আচরণ জনগণ প্রত্যাশা করে না। 

বিবৃতিতে বাসদ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাসদ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন না। ওই দলের কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে।

কিন্তু মব সন্ত্রাস ও হামলা চালিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী। 

তিনি জাসদ অফিসে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

অপর এক বিবৃতিতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা-ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এতে বাসদের এই নেতা বলেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

তিনি মিরপুরে টিকা সেন্টারে হামলা ও লুটের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি হস্তক্ষেপ আইন করে নিষিদ্ধের দাবি জানান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি বাসদের

Update Time : 06:22:13 am, Sunday, 27 September 2026

কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এ দাবি জানান।

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কার্যালয়ে দলীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে মব সন্ত্রাস বলে আখ্যায়িত করে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি। 

বিবৃতিতে ফিরোজ বলেন, মিছিল, মিটিং, সমাবেশ করা নাগরিকের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। গণতন্ত্রের মূল কথা হলো সহনশীলতা ও পরমত সহিষ্ণুতা। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর এখন দেশে একটি নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

পতিত স্বৈরাচারী সরকার নানা ট্যাগ দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ পণ্ড করত এবং গ্রেপ্তার করত। কিন্তু বর্তমান সরকারের কাছে একই ধরনের আচরণ জনগণ প্রত্যাশা করে না। 

বিবৃতিতে বাসদ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাসদ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন না। ওই দলের কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে।

কিন্তু মব সন্ত্রাস ও হামলা চালিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী। 

তিনি জাসদ অফিসে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

অপর এক বিবৃতিতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা-ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এতে বাসদের এই নেতা বলেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

তিনি মিরপুরে টিকা সেন্টারে হামলা ও লুটের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি হস্তক্ষেপ আইন করে নিষিদ্ধের দাবি জানান।