উগ্রবাদকে ছাড় নয়, আইনের কঠোর প্রয়োগই হতে পারে সমাধান
- Update Time : 07:07:22 am, Friday, 21 August 2026
- / 12 Time View
শস্য শ্যমলা সুজলা সুফলা বাংলাদেশ। এই দেশে রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম কম হয়নি। তারপরও বিশ্বের বুকে বারবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে আমাদেরই এই দেশ।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কাঠামোর সমন্বয়হীনতার সুযোগে উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর পুনরাগমনের আলামত দেখা যাচ্ছে। উগ্রবাদ ও ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শকে একই পাল্লায় মাপা বা রাজনৈতিক স্বার্থে উগ্রপন্থাকে প্রশ্রয় দেওয়া যে কোনো রাষ্ট্রের জন্য চরম আত্মঘাতী পদক্ষেপ।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রপন্থা নতুন কোনো বাস্তবতা নয়। অতীতে নানা সময়ে এই প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, রাষ্ট্রীয় কঠোরতা, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণেও আনা হয়েছে। কিন্তু উগ্রবাদ কখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়ে যায় না। রাষ্ট্রের দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ধর্মের অপব্যবহার, সামাজিক বিভ্রান্তি এবং উগ্র মতাদর্শের অনুকূলে তৈরি হওয়া বয়ান—এসবের সুযোগ পেলেই তা আবার সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে।
এই বাস্তবতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির একটি দিক বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। আগের সরকারের সময়ে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। অবশ্যই, কোনো আসামির জামিন পাওয়া আদালতের এখতিয়ার এবং আইনসম্মত অধিকার। কিন্তু উচ্চঝুঁকির কোনো ব্যক্তি মুক্তি পাওয়ার পর তার গতিবিধি, যোগাযোগ, অর্থের উৎস, সংগঠনের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক এবং পুনরায় সহিংস কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা পর্যবেক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেই জায়গায় ঘাটতি থাকলে আদালতের জামিনও একসময় নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইইডি, প্রেসার কুকার বোমা, পাইপ বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। এসব ঘটনা আমাদের একটি মৌলিক সত্য মনে করিয়ে দেয়—জঙ্গিবাদ হঠাৎ করে তৈরি হয় না। এর পেছনে থাকে সংগঠন, অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে একটি উগ্র মতাদর্শ। রাষ্ট্রীয় নজরদারিতে সামান্য ফাঁক তৈরি হলেই সেই পুরোনো নেটওয়ার্ক নতুন নামে কিংবা নতুন কাঠামোয় সক্রিয় হতে পারে।
সাম্প্রতিক নব্য জেএমবি-সংক্রান্ত তদন্তে নাজমুল হাসান মামুনের নামও আলোচনায় এসেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ‘বোমারু মামুন’ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি ২০১৭ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের পর মুক্তির পর কেরানীগঞ্জ ও সাভার এলাকায় তিনি নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে একটি দল বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
কেরানীগঞ্জের বিস্ফোরণ, যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের ওপর হামলা, কুমিল্লার একটি মন্দিরে বিস্ফোরণ, ডেমরায় পাইপ বোমা এবং সাভারে প্রেসার কুকার বোমার মতো ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে প্রকৃত চিত্রটি আড়ালে থেকে যেতে পারে। তদন্তকারীরা এসব ঘটনার মধ্যে সম্ভাব্য সাংগঠনিক যোগসূত্রের কথাও সামনে এনেছেন। ফলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—কারও বিরুদ্ধে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ থাকলে তার মুক্তির পর রাষ্ট্রীয় নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল?
এখানেই মূল সমস্যাটি। জামিন আদালতের সিদ্ধান্ত হতে পারে, কিন্তু জামিনের পর একজন উচ্চঝুঁকির আসামি কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, কীভাবে অর্থ সংগ্রহ করছেন কিংবা পুরোনো সহযোগীদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ স্থাপন করছেন কি না—এসব পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা কাঠামোর। কোনো ব্যক্তি যদি অল্প সময়ের মধ্যেই বিস্ফোরক তৈরির অবকাঠামো পুনর্গঠন করতে পারেন, তাহলে তার পেছনে থাকা নেটওয়ার্ক সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানীর মুক্তিও এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। ২০১৩ সাল থেকে কারাবন্দি থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি জামিনে মুক্তি পান। পরে তাকে বিভিন্ন প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা গেছে। এর মধ্যে শাহবাগের একটি রাজনৈতিক সমাবেশে তার উপস্থিতি নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়। একইভাবে হারুন ইজহারও বিভিন্ন মামলায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ধারাবাহিকভাবে জামিন পেয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
বিক্রমপুরীর ঘটনাটি আরও ভিন্ন ধরনের সতর্কবার্তা দেয়। বিভিন্ন তথ্য-যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে তাকে এমন অনলাইন প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সহিংসতার আহ্বান জানানো হতো। ৫ আগস্টের পর কাশিমপুর কারাগারের সামনে অনুসারীদের নিয়ে বন্দি জঙ্গিদের মুক্তির দাবিতে তার উপস্থিতি এবং ‘বৈষম্যবিরোধী কারামুক্তি আন্দোলন’-এর সমন্বয়ক হিসেবে প্রকাশ্য তৎপরতাও আলোচনায় আসে। তাকে পুনরায় আটক করতে দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়াও রাষ্ট্রীয় নজরদারির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।
তাই প্রশ্নটি শুধু গোয়েন্দা ব্যর্থতার নয়; এর সঙ্গে রাজনৈতিক পরিবেশের সম্পর্কও বিবেচনা করা জরুরি। কোনো উগ্র মতাদর্শ দীর্ঘ সময় প্রকাশ্যে প্রচারের সুযোগ পেলে সেটি ধীরে ধীরে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করে। প্রথমে বক্তব্য, এরপর সংগঠন, তারপর অনুসারী এবং শেষ পর্যন্ত সহিংসতা—উগ্রবাদের বিস্তারের পথ অনেক সময় এভাবেই তৈরি হয়।
এ ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের ১,৬১১ জন সদস্য জামিনে মুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ আগস্টের পর জামিন পাওয়া প্রায় ৩৮০ জন নিয়মিত আদালতে হাজির হচ্ছেন না বলে তথ্য এসেছে। একই সময়ে জেএমবি, আনসার আল ইসলাম, হিযবুত তাহরীর, হুজি এবং নব্য জেএমবির বহু সদস্য এখনও পলাতক। এই তথ্য শুধু বিচারিক ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ নয়, জামিন-পরবর্তী তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতাকেও সামনে আনে।
জামিনকে তাই শুধু ‘কারাগারের বাইরে থাকা’ হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি শর্তসাপেক্ষ স্বাধীনতা। আদালতের নির্দেশনা কার্যকর করা, নিয়মিত হাজিরা নিশ্চিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা নজরদারি চালানো—সবই একটি সমন্বিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অংশ। এই ব্যবস্থার কোনো একটি স্তর দুর্বল হলে তার সুযোগ নিতে পারে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্ক।
এখানে গণমাধ্যমের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক হয়রানির মামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং ন্যায়বিচারের দাবি করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। কিন্তু সন্ত্রাসবাদ বা উগ্রবাদে গুরুতরভাবে অভিযুক্ত কাউকে যাচাইহীনভাবে ‘মজলুম’ বা নিপীড়িত নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। কারণ উগ্রবাদী সংগঠনগুলো শুধু অস্ত্র বা বিস্ফোরকের ওপর নির্ভর করে না; তারা নিজেদের জন্য একটি বিকল্প বয়ান তৈরি করে। সেই বয়ানে অভিযুক্ত ব্যক্তি হয়ে ওঠে ‘শহীদ’, কারাগার হয়ে ওঠে ‘নির্যাতনের প্রতীক’ এবং রাষ্ট্র হয়ে ওঠে একমাত্র শত্রু।
অন্তর্বর্তী সরকারের সমর্থকদের একটি যুক্তি হলো—সরকার কাউকে জামিন দেয়নি, আদালত স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইনগত অর্থে এ বক্তব্যের ভিত্তি আছে। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার বৃহত্তর বাস্তবতায় বিষয়টি এত সরল নয়। জামিনের পর উচ্চঝুঁকির ব্যক্তিদের নজরদারি, আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করা, পুনর্গঠিত নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা এবং অনলাইন উগ্র প্রচারণার ওপর নজর রাখা নির্বাহী রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এসব ক্ষেত্রে ব্যর্থতা ঘটলে সেটিকে কেবল আদালতের সিদ্ধান্ত দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
সবচেয়ে বড় বিপদ তৈরি হয় তখনই, যখন রাজনৈতিক বিরোধিতা এবং জঙ্গিবাদকে একই পাল্লায় মাপা হয়। একজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রের নীতির বিরোধিতা করতে পারেন, সরকারের সমালোচনা করতে পারেন, এমনকি ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য আন্দোলনও করতে পারেন। কিন্তু সহিংস উগ্রপন্থী রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভিন্ন পদ্ধতিতে আঘাত করতে চায়। এই দুই অবস্থানকে এক করে দেখা আইন ও রাজনীতি—দুই ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর আগের সরকারের সময় দায়ের করা মামলা পর্যালোচনা বা প্রত্যাহারের প্রয়োজন হতে পারে। রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় প্রকৃত সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের মামলাগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা হিসেবে গণ্য করার ঝুঁকি এড়াতে হবে। প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা পুনর্মূল্যায়ন করা যেতে পারে, বিচারিক প্রক্রিয়ায় ভুল থাকলে সংশোধন করা যেতে পারে; কিন্তু কেবল রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে কোনো উগ্রপন্থী নেটওয়ার্ককে ছাড় দেওয়া রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
এই জায়গাতেই বিএনপিসহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বড় শিক্ষা রয়েছে। রাজনৈতিক মিত্রের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু উগ্রবাদ কোনো রাজনৈতিক মিত্র নয়। ইতিহাস দেখিয়েছে, ইসলামপন্থী উগ্র সংগঠনগুলো কোনো রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী আদর্শিক মিত্রতা গড়ে তোলে না। তারা রাজনৈতিক সুযোগকে নিজেদের মতাদর্শ বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। সাময়িক রাজনৈতিক সমীকরণ তাদের কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য—রাষ্ট্র ও সমাজের চরিত্র পরিবর্তন।
তাই আজকের রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যে উগ্র শক্তিকে কাছে টানা হবে, কাল সেই শক্তিই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির কম নেই। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
একটি রাষ্ট্র কত মানুষকে কারাগারে আটকে রেখেছে, শুধু তা দিয়ে তার শক্তি কিংবা গণতান্ত্রিক চরিত্র বিচার করা যায় না। বরং রাষ্ট্রের সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হলো—কাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে, কোন আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি দেওয়া হচ্ছে, মুক্তির পর তার অধিকার ও দায়িত্ব কী, এবং সেই ব্যক্তি আইন ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র কত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারছে।
বাংলাদেশের সামনে তাই দ্বৈত দায়িত্ব। একদিকে রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে; অন্যদিকে সহিংস উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। বিরোধী মতকে দমন করা যেমন গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি উগ্র সহিংস মতাদর্শকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য প্রশ্রয় দেওয়াও সমানভাবে আত্মঘাতী।
রাষ্ট্রের নীতি হওয়া উচিত স্পষ্ট—রাজনৈতিক মতভেদকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করা হবে, আর সন্ত্রাস ও উগ্র সহিংসতার মোকাবিলা হবে আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে। এই সীমারেখা যত পরিষ্কার থাকবে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র তত নিরাপদ থাকবে। আর সেই সীমারেখা মুছে গেলে রাজনৈতিক লাভ সাময়িক হলেও তার মূল্য দিতে হবে দীর্ঘদিন।
এই লেখাটির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিছু লিংক দেওয়া হলো:
বোমারু মামুন ও নব্য জেএমবি
• ‘জেল পলাতক ও জামিনে মুক্ত জঙ্গিরা সক্রিয়’ — TOB News: https://bangla.tob.news/জেল-পলাতক-ও-জামিনে-মুক্ত-জ/
মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী
• ‘জামিনে মুক্তি পেলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিম উদ্দিন’ — RTV Online: https://www.rtvonline.com/country/288321
• ‘মুহাম্মদ জসীমউদ্দীন রহমানী’ — উইকিপিডিয়া: https://bn.wikipedia.org/wiki/মুহাম্মদ_জসীমউদ্দীন_রহমানী
• ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগে জঙ্গিগুরু জসীমউদ্দীন রাহমানী’ — বিডিডাইজেস্ট: https://bddigest.com/news/23302/
হারুন ইজহার
• ‘দুই বছর পর জামিনে মুক্ত হেফাজত নেতা হারুন ইজহার’—আজকের পত্রিকা : https://www.ajkerpatrika.com/bangladesh/chattogram/ajp9o83eyqebu
• ‘হারুন ইজহার’ — উইকিপিডিয়া: https://bn.wikipedia.org/wiki/হারুন_ইজহার
আতাউর রহমান বিক্রমপুরী
• ‘আতাউর রহমান বিক্রমপুরী গ্রেপ্তার’—দেশ রূপান্তর : https://www.deshrupantor.com/649364/আতাউর-রহমান-বিক্রমপুরী-গ্রেপ্তার
• ‘আতাউর রহমান বিক্রমপুরী গ্রেপ্তার’— bdnews24 বাংলা: https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/1cec667d37a7
• ‘গ্রেপ্তারের পর আতাউর রহমান বিক্রমপুরী কারাগারে’— প্রথম আলো: https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/5u62rv4yud
• ‘তৌহিদী জনতায় জঙ্গী ও আওয়ামী কানেকশন’— বিভিনিউজ২৪: https://www.bvnews24.com/national/news/173272












