Dhaka 1:46 am, Monday, 29 June 2026
সর্বশেষ

সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, খাওয়ানো হচ্ছে ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে

সময়ের কাগজ ডেস্ক :
  • Update Time : 08:59:10 am, Sunday, 28 June 2026
  • / 41 Time View

দেশজুড়ে আজ রবিবার (২৮ জুন) একযোগে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে সকাল ১০টায় রাজধানীর শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সেখানে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।এ উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটের মতো জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।উল্লেখ্য, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে দেশে ১৯৭৩ সালে ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি’ নামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে চালু হয়। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে তা বন্ধ থাকলেও ২০২৬ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছে। বর্তমানে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, খাওয়ানো হচ্ছে ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে

Update Time : 08:59:10 am, Sunday, 28 June 2026

দেশজুড়ে আজ রবিবার (২৮ জুন) একযোগে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে সকাল ১০টায় রাজধানীর শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সেখানে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাইয়ে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।এ উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটের মতো জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।উল্লেখ্য, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে দেশে ১৯৭৩ সালে ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি’ নামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে চালু হয়। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে তা বন্ধ থাকলেও ২০২৬ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছে। বর্তমানে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

এসকাগজ/আরডি