বিশ্ব সুখ দিবস আজ
- Update Time : 04:19:42 am, Wednesday, 20 May 2026
- / 31 Time View
২০ মার্চ, বিশ্ব সুখ দিবস আজ। সুখ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে সহজ, দৈনন্দিন সুখের অভ্যাস অনুশীলন করতে উৎসাহিত করে বিশ্বকে একটি মানবিক এবং সুখী জায়গা করে তোলা। এই দিনটি অন্যদের সঙ্গে বড় বা ছোট, ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিতে এবং প্রতিটি জাতিকে তার নাগরিকদের সুখকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করার জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।আপনি যদি সুখী থাকেন, তাহলে ব্যক্তিগত স্তরে সেই দিনটি আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। এ ছাড়া প্রতিটি ব্যক্তির জীবনে সুখ দুর্দান্ত মূল্য যোগ করতে পারে। আর এ কারণে প্রতিবছর। বছরের পর বছর ধরে সুখের বিষয়ে আলোচনা হয়ছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। উদাহরণস্বরূপ: প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল যুক্তি দিয়েছিলেন যে সুখই একমাত্র জিনিস, যা মানুষ ‘নিজের মধ্যে খোঁজে’। মূলত মানুষ যা কিছু করে সবকিছুই সুখকে লক্ষ্য করে করে। আন্তর্জাতিক সুখ দিবসের সৃষ্টির বিষয়ে সত্যিই একটি বিশ্বব্যাপী ইতিহাস রয়েছে। ২০১১ সালে উপদেষ্টা জেমে ইলিয়ান জাতিসংঘে সুখ দিবসের ধারণাটি উপস্থাপন করেন। ইলিয়েন জাতিসংঘের নতুন অর্থনৈতিক প্যারাডাইম প্রকল্প এবং ‘হ্যাপিটালিজম’ও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার লক্ষ্য পুঁজিবাদের ওপর ‘হ্যাপিটালিজম’-এর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে জাতিগুলোর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির দিকে যাওয়ার উপায় পরিবর্তন করা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই প্রস্তাবের সঙ্গে সম্মত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২ সালের জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস প্রতিষ্ঠা করে। অধিবেশনে ১৯৩টি দেশের প্রতিনিধিরা দিবসটিকে স্বীকৃতি দেন। দিবসটি প্রথম ২০১৩ সালে পালিত হয়। অ্যাকশন ফর হ্যাপিনেস, হ্যাপিনেসডে ডট ওআরজি এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস উদ্যাপন ও আয়োজন করা হয়। এই ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, মানুষ কীভাবে খুশি হয়, কীভাবে তাদের সুখ তাদের চারপাশের মানুষদের জন্য অবদান রাখে এবং কীভাবে এটি একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে পথ প্রশস্ত করতে পারে, সে সম্পর্কে অনুপ্রেরণামূলক গল্পগুলো শেয়ার করে। বিশ্ব সুখী দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-২০২৬’-এ টানা নবমবারের মতো সুখী দেশের শীর্ষস্থান দখল করেছে ফিনল্যান্ড। প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ১৪৭টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পেছনে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানই রয়েছে।
এসকাগজ/আরডি
















