Dhaka 7:13 pm, Monday, 19 October 2026
সর্বশেষ
পূজার ছুটিতে মেট্রো রেলের সূচিতে পরিবর্তন জুলাই হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে মেনন নারায়ণগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১৯ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশ্বকাপে গ্রুপসেরা হতে চায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদিতে নিহত পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী লালন অনুসারীদের মিলন মেলা শেষ হচ্ছে আজ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন শান্তি আলোচনা চালু রাখতেই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত: ট্রাম্প

লালন অনুসারীদের মিলন মেলা শেষ হচ্ছে আজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
  • Update Time : 10:41:22 am, Monday, 19 October 2026
  • / 24 Time View

আবার দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষা। গুরু-সান্নিধ্য আর মরমি সাধনায় একাত্ম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সমবেত হয়েছিলেন দেশ-বিদেশের হাজারো সাধু-গুরু ও লালন অনুসারী।

অধিবাস, বাল্যসেবা ও পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে গতকাল রোববার শেষ হয়েছে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা। পূর্ণ সেবা শেষে বিদায় বেলায় ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আখড়াবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন সাধুরা। তবে মূল মঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলা চলবে আজ সোমবার পর্যন্ত।

বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনের উৎসবের দ্বিতীয় দিনেই ভাঙতে শুরু করেছে সাধুদের মিলন মেলা। লালনের মানবতাবাদী দর্শন, আত্মশুদ্ধি ও মরমি সাধনার চর্চায় একত্রিত হওয়া সাধুরা পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরছেন। রেখে যাচ্ছেন আবারও ফিরে আসার প্রত্যাশা।

রোববার সকালে বাল্যসেবা ও দুপুরে পূর্ণ সেবা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যদিয়ে সাধু সঙ্গের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। বিকেল থেকেই অধিকাংশ সাধু আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যান। কেউ কেউ গুরুকার্য সম্পন্ন করে সোমবার সকালে বিদায় নেবেন বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধা থেকে আসা নিজাম ফকির বলেন, আমরা প্রতিবছর সাঁইজি’র ধামে আসি। এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-গুরুরা একত্রিত হয়ে সাধুসঙ্গ করি। অধিবাস, রাখাল সেবা, বাল্যসেবা ও পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে আমাদের সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। আজ অশ্রুসিক্ত নয়নে সাঁইজির আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছি। আবারও আগামী বছর আসব। এই মিলন মেলায় সবার সঙ্গে দেখা হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মামুন সাধু বলেন, সাঁইজির ধামে এলে আমরা সবাই এক পরিবারের মতো মিলিত হই। সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে গুরু-সান্নিধ্য লাভ করি এবং লালন সাঁইয়ের মানবতাবাদী দর্শন ও মরমি ভাবধারার চর্চা করি। পূর্ণ সেবার মধ্য দিয়ে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ায় এখন বিদায়ের পালা। মনটা খুব ভারী হয়ে আছে। আবারও আগামী বছর সাঁইজির ধামে ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকব।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, আজ এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য লালন সাঁইয়ের দার্শনিক ভাবনা সম্পর্কে জানা ও তা উপলব্ধি করা। বিশেষ করে সমাজের বৈষম্যবিরোধী যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা আমাদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। তাঁর দর্শন ও চিন্তাধারা কাছ থেকে অনুভব করা এবং বোঝার সুযোগ পাওয়া সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথাগুলোর মতো গানগুলোও মনের গভীরে দাগ কাটে। আশা করি, আজকের এই আয়োজন থেকে আমরা সবাই মানবতা, সাম্য ও ইতিবাচক চিন্তার সুন্দর বার্তা নিয়ে ফিরতে পারব।

সাধুদের বিদায়ে আখড়াবাড়িতে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও উৎসবের আমেজ এখনো কাটেনি। মূল মঞ্চে লালন একাডেমির শিল্পী ও দেশ বরেণ্য লালন শিল্পীদের পরিবেশনায় চলবে মরমি সংগীত। পাশাপাশি আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গনের তিন দিনের গ্রামীণ মেলাও চলবে সোমবার পর্যন্ত। ফলে সাধুদের বড় একটি অংশ ফিরে গেলেও লালনভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের কেউ লালনের দর্শন জানতে, কেউ তাঁর মানবতাবাদী চিন্তায় জীবনের অর্থ খুঁজতে, আবার কেউ আত্মিক প্রশান্তির আশায় ছুটে এসেছেন এই ধামে। লালনের প্রেম, মানবিকতা ও আত্ম শুদ্ধির বাণীকে ধারণ করেই ভক্ত-অনুসারীদের এই মিলনমেলা।

ঐতিহাসিক এ উৎসব নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান বলেন, লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস শুধু একটি স্মরণোৎসব নয়, এটি তাঁর মানবতাবাদী দর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। এ উৎসবে দেশ-বিদেশের লালনভক্ত, সাধু-গুরু ও দর্শনার্থীরা একত্রিত হন।

উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। লালনের মানবতাবাদী দর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক ফকির লালন সাঁইয়ের মৃত্যুর পর থেকে তাঁর স্মরণে ভক্ত-অনুসারীরা স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন। পরবর্তী সময়ে লালন একাডেমি ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আয়োজন বিস্তৃত রূপ পায়। প্রতিবছর তিরোধান দিবসে লালনের দর্শন, মানবতাবাদী ভাবধারা ও মরমি সংগীতের টানে ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে সমবেত হন দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত, সাধু ও দর্শনার্থী।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লালন অনুসারীদের মিলন মেলা শেষ হচ্ছে আজ

Update Time : 10:41:22 am, Monday, 19 October 2026

আবার দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষা। গুরু-সান্নিধ্য আর মরমি সাধনায় একাত্ম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সমবেত হয়েছিলেন দেশ-বিদেশের হাজারো সাধু-গুরু ও লালন অনুসারী।

অধিবাস, বাল্যসেবা ও পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে গতকাল রোববার শেষ হয়েছে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা। পূর্ণ সেবা শেষে বিদায় বেলায় ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আখড়াবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন সাধুরা। তবে মূল মঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলা চলবে আজ সোমবার পর্যন্ত।

বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনের উৎসবের দ্বিতীয় দিনেই ভাঙতে শুরু করেছে সাধুদের মিলন মেলা। লালনের মানবতাবাদী দর্শন, আত্মশুদ্ধি ও মরমি সাধনার চর্চায় একত্রিত হওয়া সাধুরা পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরছেন। রেখে যাচ্ছেন আবারও ফিরে আসার প্রত্যাশা।

রোববার সকালে বাল্যসেবা ও দুপুরে পূর্ণ সেবা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যদিয়ে সাধু সঙ্গের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। বিকেল থেকেই অধিকাংশ সাধু আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যান। কেউ কেউ গুরুকার্য সম্পন্ন করে সোমবার সকালে বিদায় নেবেন বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধা থেকে আসা নিজাম ফকির বলেন, আমরা প্রতিবছর সাঁইজি’র ধামে আসি। এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-গুরুরা একত্রিত হয়ে সাধুসঙ্গ করি। অধিবাস, রাখাল সেবা, বাল্যসেবা ও পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে আমাদের সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। আজ অশ্রুসিক্ত নয়নে সাঁইজির আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছি। আবারও আগামী বছর আসব। এই মিলন মেলায় সবার সঙ্গে দেখা হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মামুন সাধু বলেন, সাঁইজির ধামে এলে আমরা সবাই এক পরিবারের মতো মিলিত হই। সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে গুরু-সান্নিধ্য লাভ করি এবং লালন সাঁইয়ের মানবতাবাদী দর্শন ও মরমি ভাবধারার চর্চা করি। পূর্ণ সেবার মধ্য দিয়ে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ায় এখন বিদায়ের পালা। মনটা খুব ভারী হয়ে আছে। আবারও আগামী বছর সাঁইজির ধামে ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকব।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, আজ এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য লালন সাঁইয়ের দার্শনিক ভাবনা সম্পর্কে জানা ও তা উপলব্ধি করা। বিশেষ করে সমাজের বৈষম্যবিরোধী যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা আমাদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। তাঁর দর্শন ও চিন্তাধারা কাছ থেকে অনুভব করা এবং বোঝার সুযোগ পাওয়া সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথাগুলোর মতো গানগুলোও মনের গভীরে দাগ কাটে। আশা করি, আজকের এই আয়োজন থেকে আমরা সবাই মানবতা, সাম্য ও ইতিবাচক চিন্তার সুন্দর বার্তা নিয়ে ফিরতে পারব।

সাধুদের বিদায়ে আখড়াবাড়িতে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও উৎসবের আমেজ এখনো কাটেনি। মূল মঞ্চে লালন একাডেমির শিল্পী ও দেশ বরেণ্য লালন শিল্পীদের পরিবেশনায় চলবে মরমি সংগীত। পাশাপাশি আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গনের তিন দিনের গ্রামীণ মেলাও চলবে সোমবার পর্যন্ত। ফলে সাধুদের বড় একটি অংশ ফিরে গেলেও লালনভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের কেউ লালনের দর্শন জানতে, কেউ তাঁর মানবতাবাদী চিন্তায় জীবনের অর্থ খুঁজতে, আবার কেউ আত্মিক প্রশান্তির আশায় ছুটে এসেছেন এই ধামে। লালনের প্রেম, মানবিকতা ও আত্ম শুদ্ধির বাণীকে ধারণ করেই ভক্ত-অনুসারীদের এই মিলনমেলা।

ঐতিহাসিক এ উৎসব নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান বলেন, লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস শুধু একটি স্মরণোৎসব নয়, এটি তাঁর মানবতাবাদী দর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। এ উৎসবে দেশ-বিদেশের লালনভক্ত, সাধু-গুরু ও দর্শনার্থীরা একত্রিত হন।

উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। লালনের মানবতাবাদী দর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক ফকির লালন সাঁইয়ের মৃত্যুর পর থেকে তাঁর স্মরণে ভক্ত-অনুসারীরা স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন। পরবর্তী সময়ে লালন একাডেমি ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আয়োজন বিস্তৃত রূপ পায়। প্রতিবছর তিরোধান দিবসে লালনের দর্শন, মানবতাবাদী ভাবধারা ও মরমি সংগীতের টানে ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে সমবেত হন দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত, সাধু ও দর্শনার্থী।

এসকাগজ/আরডি