Dhaka 3:49 am, Thursday, 1 October 2026
সর্বশেষ
সায়েদাবাদ থেকে দূরপাল্লার বাস কাঁচপুর টার্মিনালে স্থানান্তর করা হবে সাভারে এসআইকে পিটিয়ে হত্যা : আসামি জিল্লু ৩ দিনের রিমান্ডে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না এলপিজি, ডিসিদেরকে মাঠে নামার নির্দেশ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৩ সেঞ্চুরিতে রেকর্ড সংগ্রহ ওয়েস্ট ইন্ডিজের, ভারতের লক্ষ্য ৪০৬ মিজান, রোকসানা ও শুক্কুরের মুখে হাসি ফোটালেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল জনগণের সঙ্গে আবারো প্রতারণা শুরু করছে বিরোধী দল : আমিনুল হক যাচাই-বাছাইয়ের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 12:32:10 pm, Wednesday, 30 September 2026
  • / 5 Time View

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সেখানে তিনি নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের বিভিন্ন পলিসি এবং প্রোগ্রাম উপস্থাপন করেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, খুব সংক্ষিপ্ত এই সফরে প্রধানমন্ত্রী অফিশিয়ালি সর্বমোট ৩০টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর বাইরে আরো বেশ কিছু মিটিং ছিল আনঅফিশিয়ালি। ১১টি দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এর মাঝে ছিল দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, ভুটান এবং মালদ্বীপ। মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরান। এশিয়া প্যাসিফিকের থাইল্যান্ড, ইউরোপের তুরস্ক এবং ক্রোয়েশিয়া এবং ক্যারিবিয় অঞ্চলের হাইতি। প্রতিটি দেশের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কীভাবে আমরা সমতা, ন্যাজ্যতা এবং মর্যাদার ওপর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ডেলিগেশনে যারা সদস্য ছিলেন, তারাও পুরো সফরজুড়ে চার দিনে প্রায় ৫০টির মত মিটিং করেছেন। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৪০টিরও অধিক বিভিন্ন ধরনের দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিবের মিটিং হয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, যেখানে জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক এ বিজয়কে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএন পিসকিপিং বা শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অনবদ্য ভূমিকার জন্য।

রোহিঙ্গা কমিউনিটিকে হোস্টিং করার জন্যও বাংলাদেশকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটাকে উনি সাধুবাদ জানিয়েছেন। 

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ সম্পর্কিত নীতিমালা খুব বিস্তৃতভাবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে- পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা- এগুলো প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন। একজন বিশ্বনেতার কাতারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী খুব সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দিয়েছেন বাংলাদেশের দিক থেকে।

প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পরিসরে জাতীয় স্বার্থকে অটুট রেখেছেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমরা অংশীদারিত্ব চাই, বিনিয়োগ চাই, বাণিজ্য চাই। এর মাধ্যমে আমরা স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে পারব, স্বাবলম্বীতা নিশ্চিত করতে পারব। প্রতিটি মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারব। বৈশ্বিক কূটনীতিতে এটি আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার একটা দৃঢ় প্রত্যয়। আমরা বিশ্বাস করি সমতা এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ একটা ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 12:32:10 pm, Wednesday, 30 September 2026

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সেখানে তিনি নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের বিভিন্ন পলিসি এবং প্রোগ্রাম উপস্থাপন করেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, খুব সংক্ষিপ্ত এই সফরে প্রধানমন্ত্রী অফিশিয়ালি সর্বমোট ৩০টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর বাইরে আরো বেশ কিছু মিটিং ছিল আনঅফিশিয়ালি। ১১টি দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এর মাঝে ছিল দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, ভুটান এবং মালদ্বীপ। মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরান। এশিয়া প্যাসিফিকের থাইল্যান্ড, ইউরোপের তুরস্ক এবং ক্রোয়েশিয়া এবং ক্যারিবিয় অঞ্চলের হাইতি। প্রতিটি দেশের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কীভাবে আমরা সমতা, ন্যাজ্যতা এবং মর্যাদার ওপর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ডেলিগেশনে যারা সদস্য ছিলেন, তারাও পুরো সফরজুড়ে চার দিনে প্রায় ৫০টির মত মিটিং করেছেন। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৪০টিরও অধিক বিভিন্ন ধরনের দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিবের মিটিং হয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, যেখানে জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক এ বিজয়কে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএন পিসকিপিং বা শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অনবদ্য ভূমিকার জন্য।

রোহিঙ্গা কমিউনিটিকে হোস্টিং করার জন্যও বাংলাদেশকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটাকে উনি সাধুবাদ জানিয়েছেন। 

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ সম্পর্কিত নীতিমালা খুব বিস্তৃতভাবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে- পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা- এগুলো প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন। একজন বিশ্বনেতার কাতারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী খুব সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দিয়েছেন বাংলাদেশের দিক থেকে।

প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পরিসরে জাতীয় স্বার্থকে অটুট রেখেছেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমরা অংশীদারিত্ব চাই, বিনিয়োগ চাই, বাণিজ্য চাই। এর মাধ্যমে আমরা স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে পারব, স্বাবলম্বীতা নিশ্চিত করতে পারব। প্রতিটি মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারব। বৈশ্বিক কূটনীতিতে এটি আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার একটা দৃঢ় প্রত্যয়। আমরা বিশ্বাস করি সমতা এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ একটা ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে।