Dhaka 10:30 pm, Sunday, 6 September 2026

শ্রমজগতের উন্নতি সাধনে শ্রমিকের মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রয়োজন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:51:41 pm, Saturday, 5 September 2026
  • / 12 Time View

মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এখনো দেশের বহু শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সঙ্গে জড়িত। শ্রমজগতের উন্নতি সাধনের জন্য দরকার প্রত্যেক শ্রমিকের যথাযথ মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিল্স) ১০ম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

ড. মাহদী আমিন বলেন, ন্যায্য মজুরি কোনো দাবির বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ। দেশের সাড়ে সাত কোটি শ্রমজীবী মানুষের নির্বাচিত সরকার তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।

কর্মজগতে নিরাপদ পরিবেশ, শোভন কাজ, প্রাপ্য মজুরি, প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষ্যতা বৃদ্ধি, শিল্পের মাঝে স্থিতিশীলতা, আস্থা, দায়িত্বশীলতা, মালিক-শ্রমিকের ঐক্যে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বরোপ করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় শ্রমিক শ্রেণির অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সব সেক্টরের শ্রমিকের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রয়েছে।

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, শ্রমজগতে মর্যাদা, অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রশ্নে প্রয়োজন শ্রমিকের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির বিষয়টি বিবেচনা ও নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে ন্যায্য মজুরি কোনো দাবি নয়, বরং নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় কল্যাণের অংশ।

দেশের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এখনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত বিধায় তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। এসকল প্রতিবন্ধকতা কার্যকর সামাজিক সংলাপ, মালিক-শ্রমিক ঐক্য ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রমবাজার গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য বলে জানান বক্তারা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শ্রমজগতের উন্নতি সাধনে শ্রমিকের মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রয়োজন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Update Time : 01:51:41 pm, Saturday, 5 September 2026

মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এখনো দেশের বহু শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সঙ্গে জড়িত। শ্রমজগতের উন্নতি সাধনের জন্য দরকার প্রত্যেক শ্রমিকের যথাযথ মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিল্স) ১০ম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

ড. মাহদী আমিন বলেন, ন্যায্য মজুরি কোনো দাবির বিষয় নয়, বরং এটি নাগরিক অধিকারের অংশ। দেশের সাড়ে সাত কোটি শ্রমজীবী মানুষের নির্বাচিত সরকার তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।

কর্মজগতে নিরাপদ পরিবেশ, শোভন কাজ, প্রাপ্য মজুরি, প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষ্যতা বৃদ্ধি, শিল্পের মাঝে স্থিতিশীলতা, আস্থা, দায়িত্বশীলতা, মালিক-শ্রমিকের ঐক্যে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বরোপ করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় শ্রমিক শ্রেণির অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সব সেক্টরের শ্রমিকের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রয়েছে।

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, শ্রমজগতে মর্যাদা, অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রশ্নে প্রয়োজন শ্রমিকের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির বিষয়টি বিবেচনা ও নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে ন্যায্য মজুরি কোনো দাবি নয়, বরং নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় কল্যাণের অংশ।

দেশের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এখনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত বিধায় তাদের প্রাপ্য মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। এসকল প্রতিবন্ধকতা কার্যকর সামাজিক সংলাপ, মালিক-শ্রমিক ঐক্য ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রমবাজার গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য বলে জানান বক্তারা।