জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হলেন সাজ্জাদুল আলম পলাশ
- Update Time : 05:24:11 am, Saturday, 27 June 2026
- / 15 Time View
সাইবার স্পেসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ প্রচারের অন্যতম প্রধান ফ্রন্ট ‘জিয়া সাইবার ফোর্স (জেড সি এফ)’-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ‘যুগ্ম মহাসচিব’ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও তরুণ রাজনীতিক সাজ্জাদুল আলম পলাশ।সম্প্রতি জিয়া সাইবার ফোর্সের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিঃ মোজাম্মেল হক রাজিব স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা যায়, জিয়া সাইবার ফোর্সের সম্মানিত প্রধান সমন্বয়ক স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) ওয়াহিদ-উন-নবী এবং সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্যবৃন্দ এই সংযুক্তি অনুমোদন করেছেন। এর আগে সাজ্জাদুল আলম পলাশ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও অঙ্গ-সংগঠনে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে ভিন্ন ভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও একাগ্রতার মূল্যায়ন হিসেবেই তাঁকে জিয়া সাইবার ফোর্সের ‘যুগ্ম মহাসচিব’-এর এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।শৈশব থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা পলাশ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও কেন্দ্রীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। লেখালেখির প্রতি গভীর আগ্রহ থাকায় ২০০৮-০৯ সাল থেকে তিনি বিভিন্ন ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী লেখালেখি শুরু করেন। সরকারবিরোধী সাহসী লেখনীর কারণে নানা হুমকি ও চাপের মুখে পড়লেও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেননি; সত্যের পক্ষে তাঁর কলম ছিল অবিচল।পরবর্তীতে দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত ও নানামুখী চাপের কারণে কিছু সময়ের জন্য ব্যবসায় মনোনিবেশ করলেও রাজনীতির মাঠ থেকে তিনি কখনোই বিচ্যুত হননি। নেপথ্যে থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা উপায়ে সহায়তা প্রদান করেন। বর্তমানে রাজনৈতিক লেখালেখির পাশাপাশি যুবদলের ঢাকা মহানগর ইউনিটের রাজনীতির সাথেও তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। সাজ্জাদুল আলম পলাশ পেশায় একজন ব্যবসায়ী।উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৫ মার্চ “We Revolt” নামে যাত্রা শুরু করা জিয়া সাইবার ফোর্স বর্তমানে জাতীয়তাবাদী ঘরানার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। নানা চড়াই-উতরাই, হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া এবং ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় সাইবার সিকিউরিটি আইনের ৫৭ ধারায় মামলার মতো সরকারি দমন-পীড়ন উপেক্ষা করেও এই সংগঠনের সাইবার যোদ্ধারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া “তোমরাই আমাদের মিডিয়া” বাণীকে ধারণ করে সাইবার স্পেসে প্রোপাগান্ডা রুখে দিতে সংগঠনটি বদ্ধপরিকর।নতুন এই গুরুদায়িত্ব প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় সাজ্জাদুল আলম পলাশ মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া এবং শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি মনে-প্রাণে একটি কথায় বিশ্বাস করি- ‘কর্ম কথা বলে’। দল ও শীর্ষ নেতৃত্ব আমার ওপর যে অগাধ আস্থা রেখেছেন, আমি আমার নিরলস কর্মধারার মাধ্যমেই তার প্রতিদান দেব, ইনশাআল্লাহ।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম, সত্যনিষ্ঠা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সাইবার স্পেসে স্বচ্ছ রাজনীতির প্রচারে আমরা পিছিয়ে থাকব না এবং একইসাথে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার আমরা সাংগঠনিকভাবে রাজপথ ও সাইবার মাধ্যমে রুখে দেব।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সাজ্জাদুল আলম পলাশের এই নতুন পদায়নের ফলে জিয়া সাইবার ফোর্সের সাংগঠনিক কার্যক্রম আগামী দিনে আরও বেশি গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।
এসকাগজ/আরডি



















