Dhaka 1:33 am, Wednesday, 17 June 2026

ব্যাংক সুদের হার ও উচ্চ ব্যয়ে আবাসন খাতে স্থবিরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 12:21:34 pm, Tuesday, 16 June 2026
  • / 17 Time View

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতকে আবারও মূল চালিকাশক্তি হিসেবে সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, আবাসন সংগঠনের নেতা ও অর্থনীতিবিদরা। তাঁদের মতে, বহুমাত্রিক প্রভাবসম্পন্ন এই খাতটি বর্তমানে গভীর মন্দার মধ্যে থাকলেও সঠিক নীতি সহায়তা পেলে এটি আবারও জাতীয় অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি আবাসন প্রকল্প বা ফ্ল্যাট নির্মাণের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে অন্তত দুই শতাধিক শিল্প যুক্ত থাকে। ফলে এই খাতে বিনিয়োগ বাড়লে তা রড, সিমেন্ট, সিরামিক, আসবাব, পরিবহনসহ অসংখ্য শিল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ বলেন, আবাসন খাতকে তিনি সরাসরি “রিয়েল সেক্টর” বা প্রকৃত উৎপাদনশীল খাত হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁর মতে, অর্থনীতির গতি বোঝার ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট বিক্রি, চাহিদা ও জোগানের প্রবণতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও উচ্চ নির্মাণ ব্যয়ের কারণে ফ্ল্যাট বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। নির্মাণসামগ্রীর দাম ও জমির মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংকঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ বাজার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

মামুন রশীদের মতে, “আবাসন খাতে মন্দা সরাসরি সামগ্রিক অর্থনীতিকে ধীর করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নীতি সহায়তা এখন জরুরি।”

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে ফ্ল্যাট বিক্রি প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। মাসিক বিক্রি এক সময় যেখানে প্রায় এক হাজার ইউনিট ছিল, তা এখন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল জানান, এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে আবাসন নিবন্ধন ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, যা ১৩ শতাংশেরও বেশি। তিনি বলেন, নিবন্ধন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হলেও বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

তার মতে, নির্মাণসামগ্রীর দাম গত কয়েক বছরে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ক্রেতারা বাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন।

তিনি আরও বলেন, “নতুন কর ও শুল্ক, বিশেষ করে রডের ওপর ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব আবাসন খাতকে আরও সংকটে ফেলবে।”

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, রড, সিমেন্ট, বালু, ইট, পাথরসহ প্রায় ২৬৯ ধরনের নির্মাণ উপকরণের বাজারেও বড় ধরনের মন্দা চলছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দৈনন্দিন বিক্রির পতনের কারণে ব্যাংক কিস্তি ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

রাজধানীর টাইলস মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, যেখানে আগে দিনে কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হতো, এখন তা কয়েক হাজার টাকায় নেমে এসেছে। ফলে অনেক দোকানদারই আর্থিক চাপে পড়েছেন।

এডিসন রিয়েল এস্টেটের অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক সুদের হার ১৫–১৬ শতাংশে পৌঁছানোর কারণে আবাসন খাতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাঁর মতে, “একটি ফ্ল্যাট নির্মাণে এখন আগের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি খরচ হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।”

রিহ্যাব ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আবাসন খাত বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সৃষ্টি করে এবং প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে। দেশে এই খাতে ১,৪০০টিরও বেশি কোম্পানি কাজ করছে।

এছাড়া এই খাতের সঙ্গে প্রায় ২৬৯টি লিংকেজ শিল্প এবং প্রায় ১২ হাজার প্রকল্প যুক্ত রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আবাসন খাতে বিনিয়োগের প্রতি ১ টাকা অর্থনীতিতে ২.৫ টাকার বেশি প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খাতকে পুনরুদ্ধার করতে হলে দ্রুত কিছু নীতি পদক্ষেপ জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে— গৃহঋণের সুদহার কমানো, নিবন্ধন ব্যয় হ্রাস, নির্মাণসামগ্রীর ওপর কর চাপ কমানো, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, একটি একীভূত ও স্বচ্ছ আবাসন নীতি প্রণয়ন।

আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অপারেশন) মো. তানভীরুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা ও পেশাদার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আবারও অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, সঠিক নীতি সহায়তা পেলে প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদসহ বিপুলসংখ্যক দক্ষ জনশক্তির জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোতে আবাসন খাত জিডিপির ১৫ থেকে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত অবদান রাখে। কিন্তু বাংলাদেশে এই হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও সম্ভাবনা অত্যন্ত বড়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব থাকলেও বাংলাদেশে নীতি সহায়তা ছাড়া এই খাতের পুনরুদ্ধার আরও দীর্ঘায়িত হবে।

আবাসন খাতের বর্তমান সংকট শুধু একটি শিল্প খাতের সমস্যা নয়, বরং এটি সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত নীতি সহায়তা ও কাঠামোগত সংস্কার না হলে এই খাতের পতন অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তবে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া গেলে আবাসন খাত আবারও দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের অন্যতম প্রধান শক্তি হয়ে উঠতে পারে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ব্যাংক সুদের হার ও উচ্চ ব্যয়ে আবাসন খাতে স্থবিরতা

Update Time : 12:21:34 pm, Tuesday, 16 June 2026

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতকে আবারও মূল চালিকাশক্তি হিসেবে সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, আবাসন সংগঠনের নেতা ও অর্থনীতিবিদরা। তাঁদের মতে, বহুমাত্রিক প্রভাবসম্পন্ন এই খাতটি বর্তমানে গভীর মন্দার মধ্যে থাকলেও সঠিক নীতি সহায়তা পেলে এটি আবারও জাতীয় অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি আবাসন প্রকল্প বা ফ্ল্যাট নির্মাণের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে অন্তত দুই শতাধিক শিল্প যুক্ত থাকে। ফলে এই খাতে বিনিয়োগ বাড়লে তা রড, সিমেন্ট, সিরামিক, আসবাব, পরিবহনসহ অসংখ্য শিল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ও ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ বলেন, আবাসন খাতকে তিনি সরাসরি “রিয়েল সেক্টর” বা প্রকৃত উৎপাদনশীল খাত হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁর মতে, অর্থনীতির গতি বোঝার ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট বিক্রি, চাহিদা ও জোগানের প্রবণতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও উচ্চ নির্মাণ ব্যয়ের কারণে ফ্ল্যাট বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। নির্মাণসামগ্রীর দাম ও জমির মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংকঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ বাজার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

মামুন রশীদের মতে, “আবাসন খাতে মন্দা সরাসরি সামগ্রিক অর্থনীতিকে ধীর করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নীতি সহায়তা এখন জরুরি।”

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে ফ্ল্যাট বিক্রি প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। মাসিক বিক্রি এক সময় যেখানে প্রায় এক হাজার ইউনিট ছিল, তা এখন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল জানান, এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে আবাসন নিবন্ধন ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, যা ১৩ শতাংশেরও বেশি। তিনি বলেন, নিবন্ধন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হলেও বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

তার মতে, নির্মাণসামগ্রীর দাম গত কয়েক বছরে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ক্রেতারা বাজার থেকে ছিটকে পড়ছেন।

তিনি আরও বলেন, “নতুন কর ও শুল্ক, বিশেষ করে রডের ওপর ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব আবাসন খাতকে আরও সংকটে ফেলবে।”

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, রড, সিমেন্ট, বালু, ইট, পাথরসহ প্রায় ২৬৯ ধরনের নির্মাণ উপকরণের বাজারেও বড় ধরনের মন্দা চলছে। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দৈনন্দিন বিক্রির পতনের কারণে ব্যাংক কিস্তি ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

রাজধানীর টাইলস মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, যেখানে আগে দিনে কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হতো, এখন তা কয়েক হাজার টাকায় নেমে এসেছে। ফলে অনেক দোকানদারই আর্থিক চাপে পড়েছেন।

এডিসন রিয়েল এস্টেটের অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক সুদের হার ১৫–১৬ শতাংশে পৌঁছানোর কারণে আবাসন খাতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাঁর মতে, “একটি ফ্ল্যাট নির্মাণে এখন আগের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি খরচ হচ্ছে। এতে ক্রেতাদের সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।”

রিহ্যাব ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আবাসন খাত বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সৃষ্টি করে এবং প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে। দেশে এই খাতে ১,৪০০টিরও বেশি কোম্পানি কাজ করছে।

এছাড়া এই খাতের সঙ্গে প্রায় ২৬৯টি লিংকেজ শিল্প এবং প্রায় ১২ হাজার প্রকল্প যুক্ত রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আবাসন খাতে বিনিয়োগের প্রতি ১ টাকা অর্থনীতিতে ২.৫ টাকার বেশি প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খাতকে পুনরুদ্ধার করতে হলে দ্রুত কিছু নীতি পদক্ষেপ জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে— গৃহঋণের সুদহার কমানো, নিবন্ধন ব্যয় হ্রাস, নির্মাণসামগ্রীর ওপর কর চাপ কমানো, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, একটি একীভূত ও স্বচ্ছ আবাসন নীতি প্রণয়ন।

আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অপারেশন) মো. তানভীরুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা ও পেশাদার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আবারও অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, সঠিক নীতি সহায়তা পেলে প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদসহ বিপুলসংখ্যক দক্ষ জনশক্তির জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোতে আবাসন খাত জিডিপির ১৫ থেকে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত অবদান রাখে। কিন্তু বাংলাদেশে এই হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও সম্ভাবনা অত্যন্ত বড়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব থাকলেও বাংলাদেশে নীতি সহায়তা ছাড়া এই খাতের পুনরুদ্ধার আরও দীর্ঘায়িত হবে।

আবাসন খাতের বর্তমান সংকট শুধু একটি শিল্প খাতের সমস্যা নয়, বরং এটি সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত নীতি সহায়তা ও কাঠামোগত সংস্কার না হলে এই খাতের পতন অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তবে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া গেলে আবাসন খাত আবারও দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের অন্যতম প্রধান শক্তি হয়ে উঠতে পারে।